আজ ৮ ভাদ্র ১৪২৬, শুক্রবার

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস
- অধ্যাপক আব্দুস সালাম

শোন গো মানুষ শোন,
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কিছু শোন।
৭ মার্চে ভাষণ দিলেন শেখ মুজিবুর রহমান,
বহু বহু গুণ বাড়ালো ত্রাসন সেই খুনি ইয়াহিয়া খান।
প্রতিটি সদন বাঙালি নিধন যজ্ঞ চালালো হানাদার,
প্রতিটি শহর তাদের দোসর ছিলো এদেশের রাজাকার।
বাঙালি নিধন যজ্ঞ চালালো পাকহানাদার বাহিনী,
২৫ মার্চ হতে চলিল যজ্ঞ শুরু হয়ে গেলো কাহিনী।

যারে যেথা পায় ধরে নিয়ে যায় বধ্যভূমির কিনারায়,
ঘরণী ও বধূ যারা ছিলো শুধু নিরুপায় ও অসহায়।
চিনিতো না তারা চিনাইলো যারা বদর-সামস্-রাজাকার,
এরা দ্বারে দ্বারে প্রতি ঘরে ঘরে মোতায়েন ছিলো প্রতিহার।
ভারতে তখন করিতো শাসন ইন্দিরা গান্দী সরকার,
উদারতা তার ছিলো যে অপার মানুষের প্রতি সবাকার।
ছাত্ররা আর পুলিশ-বিডিআর, তিন সেনাদল বাহিনীর;
শরণার্থী আর জনআপামর আশ্রয় পেলো জননীর।

পরম দীক্ষা সমর-শিক্ষা গেরিলা তৎপরতা,
যদ্ধের খবর দিয়েছে জবর স্বাধীন বেতার বার্তা।
সামরিক গান করিয়াছে দান উৎসাহ ও উল্লাস,
ত্রিপলে ঢাকিয়া বহন করিতো হানাদারদের মৃতলাশ।
এই ভাবে হয় যুদ্ধে বিজয় ১৬ই ডিসেম্বরে,
সহযোগিতায় মিত্র বাহিনী; মনে রবে চিরতরে।
৯৩ হাজার শত্রু বাহিনী করিলো আত্মসমর্পণ,
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর এই ছিলো মনে পণ।

মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ