আজ ১২ চৈত্র ১৪২৫, মঙ্গলবার

"স্মৃতিপটে অবাধ্য শৈশব"
- Md. Osmangani shuvo

একে ইঁদুর
দুয়ে দাঁতাল
তিনে তেলচোর
বড় হয়ে তারাই হয়
লোকের বউচোর।

মেয়েরা যখন খেলত কিৎকিৎ
আমরা তখন খেলতাম মারবেল
ফকির ফকির আর জিত জিত।

ছেলেমেয়েরা মিলে যখন
খেলত ঘুরুনচন্ডী
আমরা দুই বন্ধু মিলে তখন
খেলতাম বাঘবন্দি।

মেয়েরা বৃষ্টির দিনে যখন
খেলত সাপলুডু
আমরা তখন খেলতাম
আমবাগানে হা- ডু-ডু।

আমরা খেলতাম চোরপুলিশ
মেয়েরা খেলত মালাকুঁড়ি
বুড়ো দাদা বারান্দায় বসে তখন
টানতেন সুদৃশ্য গুঁড়গুঁড়ি।

সবাই যখন খেলত কড়িখেলা
মেয়েরা তখন মাততো নিয়ে দড়িখেলা

খোলা আকাশে ভরা বাতাসে
উড়াতাম যখন ঘুড়ি
লোকের ঘুড়ি কাঁটতো যখন
মনে লাগত সুঁড়সুঁড়ি।

কোকিলে পাদা আম
খেতাম যখন
মিষ্টি লাগত খুবই
মজা লাগতো তখন।

সুপারি গাছের পাতা দিয়ে
খেলতাম ঠেলা গাড়ি ঠেলা
খুবই ভাল লাগতো তখন, যখন
পানিতে চড়িতাম ভেলা।

তিরগুলতি দিয়ে যখন
মারিতাম পাখি
মরিতোনা পাখি যখন
তখন কেঁদে ভাসাইতাম আঁখি।

জলে কুমির ডাঙ্গায় বাগ
খেলার থাকে কত শর্ত
খেলাটি চলত বিশাল তখন- যখন
বাড়ি তৈরির জন্য লোকজন খুড়িত গর্ত।


অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা যখন
খেলত ইচিং বিচিং
আমরা তখন মারবেল নিয়ে
খেলতাম নাথিং।

দোলনা নিয়ে ছেলেমেয়েরা যখন
খেলত দোল দোল
আমরা তখন পুকুরে গিয়ে
খেলতাম নৈল নৈল।

নৈল খেলার সময় যখন
নাকে লাগত কাঁদা
বাড়িতে আসলে "মা"বলত
ওরে আমার বুড়োদাদা।

উৎসবের দিনে যখন
ফোঁটাতাম তারাবাজি
পাড়ার সবাই মনে করত
এসব দুষ্টু ছেলেদের কারসাজি।

কপালে টিক্কা খেলার সময় ডাকত
আয়রে আয় ওরে আমার রজনীগন্ধা
সারাদুপুর খেলা শেষে তখন
হয়ে যেত সন্ধ্যা।

ছাগল-গরু,চোর -ডাকাত, আম- জাম
খেলিতাম গিয়ে স্কুলে
কাগজ দিয়ে প্লেন, নৌকা বানানো
যেতামনাকো গো ভুলে।

নুনগাদি,ট্যামলাঠি, বোমবোম আর খেলতাম সিগারেটের খোলা খেলা
মেয়েরা তখন ন' কাটির বিলে গিয়ে
পাল্লা দিতো শাপলা আর ঢ্যাঁপ তোলা

এলাটিম-বেলাটিম
খেলিতাম গরুর গাড়িতে
বাপ-চাচারা যদি বাড়ি থাকিতেন
দৌড়ে আসিতেন মারিতে
মমতাময়ী মায়েরা তখন
তাড়াতাড়ি আসিতেন ছাঁড়াইতে।

মেয়েরা ফুলুন দুলুন তিলন ঝাম
খেলত সারাদিন
পুতুল- চু খেলতে গিয়েও
তারা ঝগড়া বাঁধাতো রাতদিন।

ক্লাসের ফাঁকে যখন
খেলতাম কলম খেলা
কলম দিয়ে স্যারে বাঁশকল দিতো
বুঝো এইবার ঠেলা
উহ্!! আঙুলে লাগত কি জ্বালা!!!

তিনগুঁটি, ছয়গুঁটি খেলিতাম যত
অঙ্কের প্রতি মেধা বাড়িতই ততো।

ছেলেমেয়েরা যখন চারিদিকে খেলত
টুকপোলাপুলি
দুষ্টু ছেলে এই ফাঁকে লুকিয়ে রাখত
তাদের চরণের জুতাগুলি।

লায়টানা-বিবিয়ানা খেলিতাম যখন
বায়স্কোপ আর রাজারাণীদের কথা
মনে পড়িত তখন।

লাটিম খেলার সময় যখন
লাটিমে লাটিমে মেরে উড়ত চল্লা
তারপর আমরা কাঁঠালের আঁটা আর
শুকনো মরিচ দিয়ে ধরিতাম বল্লা।

লাটিম ঘুরে, আমি ঘুরি
বিশ্ব ঘুরে সমানভাবে
লাটিম আর বিশ্ব থেমে যাবে একসময়
দমের অভাবে।।

কুঁসুম কুঁসুম আর
গাদন যখন খেলিতাম
খেলার সময় শুধুই
আমি পড়িতাম।

ছেলেমেয়েরা জিউলি আঁটা দিয়ে যখন
ধরতো ঝিঁঝিঁ পোকা
বড় মানুষেরা বলত এরা অবুঝ,ছোট
আছে এখনো বোকা।

১ টা বাঁজে কিড়িং কিড়িং
খেলিতাম যখন
মাগরিবের আযান দিতো তবুও
মনে পড়িত না তখন।

দুষ্টু ছেলেরা মৌমাছির চাকে ঢিল
ডেলা-খবরা মারিত যখন
রাণী মৌমাছি তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে
কয়েকজনকে কামড়ে দিত তখন।

মোর আর ফয়সালের ভুট্টা চুরির কথা
মনে পড়ে যখন
মরহুম তুহিন কাকার মারের কথা
মনে পড়ে ঠিক তখন।

শৈশবে রাতদিন যখন
চালাতাম টায়ের
চালানোর সময় কিছুই হতো না
রাতে ব্যথা হতো পায়ের ।

শৈশবে ডলি-মোস্তাফা মেডামের কাছে প্রাইভেট পড়তাম যখন
শিয়ালের ভয় আর গল্প না বললে
পড়তে বসতাম না তখন।।

শৈশবে আমাদের মুদিদোকানে
লোকজন আসিত খালি
"হামারের জাত ", "হামারের জাত"বলে
করতাম গালাগালি।

শৈশবে ছদু চাচার সাথে
খেতে গিয়েছিলাম আঁখ
কপালের নিচে "দা"র কোপ লেগে
হয়ে গিয়েছিল ফাঁক।

কানামাছি ভোঁ ভোঁ আর বেগুন ঢ্যাবঢেবি
খেলিতাম যখন
একে অন্যের গায়ে ঠুল লাগত
ভালো লাগত না তখন।

গুঁড় খাওয়ার সময় ছেলেমেয়েরা
কড়ার পাশে থাকত দাঁড়িয়ে
জুয়েল ভাইয়ের মা বড়মা তখন
কড়ার গুঁড় ততই যেত নাড়িয়ে।

দামাল ছেলে হিসেবে বাওড়ের
স্রোতে কাঁপিয়ে যেতাম দাঁপিয়ে
উজান স্রোতে সাঁতরাতে না পেরে
অবশেষে যেতাম হাঁপিয়ে।

ছেলেমেয়েরা যখন খিঁচ পাট
আর পাটের গজা কোঁড়াতো
মেয়েরা তখন রান্নাঘরে
গবরের ঘুঁটি পোঁড়াতো।

আমের আঁটি খেলার শেষে
খেত যে রাম চাটি
খেলা শেষে তার হাত ফুলে
হতো বড় এক বাটি।

গরুকে কাঁচা ঘাস কেঁটে
খাওয়াতাম যখন
ঘাস খাওয়া শেষে গরু
ঠিক গুতাতো তখন।

১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,১০ স্টপ
খেলতাম যখন
মনে হত পৃথিবীটা স্টপ হয়ে গেছে
ভাল লাগত তখন।

সাইকেল চালানো শিখতে গিয়ে
পড়িতাম একভাব
সবাই বলত দুষ্টু ছেলে
দুষ্টু যার স্বভাব।

গোয়ালঘরে আম্মু যখন
জ্বালাতেন সাজাল
আমরা তখন মাঁজারখোলায়
ধরাতাম মশাল।

গাম্বুল চালাচালি খেলায়
গাম্বুল চোখে লাগত য়খন
চোখ পুলে ডাব্বল হত
আর্মি ট্রেনিং এর মার খেতাম তখন।

দড়িতে ইট বেঁধে জাল
পুকুরে ফেলার অভিনয় করতাম যখন
মাছ তো মোটেও উঠতো না তবুও
মজা পেতাম খুবই তখন।

বর্ষা হলেই দইড় পাতাতাম
মশারি দিয়ে পাতাতাম বেইনজাল
দইড়ে মাছ উঠতো না মোটেই
বেইনজাল হতো ফালফাল।

বাওড়ে কাঁদা কেটে
বাইন মাছ বেরোতো যখন
বদনার ভিতরে তাড়াতাড়ি রাখতাম
দারুণ ফিলিংস হতো তখন।


হাতড়িয়ে মাছ ধরার সময়
গর্তে হাত দিতাম যখন
মাছ না উঠে
কাঁকড়া,কুচি,সাপ উঠতো তখন
ভয়তে গা কাঁপতো,রাত হতোনা যাপন।

কলা পাতার বাঁশি
আর নারিকেল পাতার চশমা-ঘড়ি
ছিট কাপড়ে তৈরি ব্যান
যেত কত ছড়াছড়ি।

মাছরাঙা পাখি ধরার জন্য যখন
হাত দিতাম পুকুর পাড়ের গর্তে
গোখরা সাপ বলত, "আমার বাচ্চা-ডিম
নিয়ে যেতে পারবা না কোন শর্তে।"

বাঁশঝাড়ে উঠে অনেকে পাড়ত
ছোট সাদা বাচ্চা বকের
বাচ্চা বক বিক্রি করে
অনেকে শখ মেটাত নিজের।

তেঁতুল আর কতবেল পাড়তে
যখন উঠতাম মগডালে
নিজের দিক তাকিয়ে দেখতাম
মেয়েছেলেপিলের চিব ভিজে যেত জলে।


ঝড়ের দিনে খুবই আম পড়ত
যখন কাল ছিল বৈশাখ
চারিদিক থেকে আম কুঁড়াতে আসত
বাচ্চা ছেলেপিলেরা ঝাঁক ঝাঁক।

ঝিনুক দিয়ে আম কেঁটে
মিশিয়েছি কত লবণ দিয়ে
চারিদিকের কত লোকজনেরা এসে
আম তাড়াতাড়ি চলে যেত নিয়ে।

পাট ধোঁয়ার সময় গায়ে
পঁচা পানি লাগতো যখন
শিরশিরিয়ে উঠতো গা
বিষবৎ হয়ে উঠত জীবন তখন।

ধান কাঁটার সময়
হাতে পোঁচ লাগত যখন
ভাবতাম কি করার আছে
কপালে আছে তো এমন।

ধান জালি দেওয়ার সময়
সুন্দর করে দিতাম দুইপাশে
ভাল হতো তবু বাপের পছন্দ না হলে
চড় থাপ্পড় পড়ত কানের আশেপাশে।

ধান রোয়ার সময়
রুতাম কত স্বপ্ন
ভাবতাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ত
অপেক্ষা করছে আমার
মতো অধম -অবোধোর জন্য।

পটল উস্তের ফুল ছোঁয়াতাম যখন
ছোঁয়াতাম স্বপ্ন, ভাবতাম
পরিশ্রমের ফল পাব কখন?

ভুঁই নিংড়িয়েছি কত খঁটখটি রোদে
নিংড়ানো না হলে ভাল
নিংড়েলের বাড়ি পড়েছে টানপিটে।
মনে হত জীবন বুজি এই গেল।

শসা চুরি, বেগুন চুরি, ডাব চুরি
আর মসজিদের উপর উঠে পেঁপেঁ চুরি
বুঝি এখন কত পাপ,অকাজ
তাইতো বেড়েছে আজ আমার ভুঁড়ি।

তাল গাছ থেকে পড়ত যখন
বড় বড় তাল পাঁকা
আঁটি বেশি হলে তালের
তাড়াতাড়ি যাইতো নাকো ছেঁকা

ক্যারাটে প্রাকটিস করতে গিয়ে
ভেঙেছি কত ভাঁড়
বাপের ভয়তে লুকিয়েছি কঁচুবনে
তবু দেইনিকো গো ছাড়।

নাথপুরের বটতলা থেকে লাঠিখেলা
দেখে প্রাকটিস করেছি খেলা লাঠি
প্রাকটিস ভাল না হলে
জুয়েল-সাধনা ভাই মেরেছে কত লাথি!

শিয়ালেরডাক নকল করে
কত ডেঁকেছি হুক্কা হুঁ
হন্যি কুকুর এসে ঘেঁউ ঘেঁউ করলে
বলেছি ছুঁ মন্তর ছুঁ
ছু মন্তরে কাজ না হলে বলেছি
ওরে মা,ওরে দাদি,ওরে আমার বু!!!

মজা ছিল সেই দিনগুলি
পার হওয়া পাঁকা বাঁশের সাঁকো
বই নিয়ে বাওড়ের খালে পড়ে যাওয়া
কোনদিনও ভুলবো নাকো।

লাল শাঁক, ডাটা শাঁক,কঁচু-বেতু শাঁক
নিজ ক্ষেত থেকে তোলা
পুরানো সেই দিনের কথা
আজও যায় কি তা ভোলা।

শীতের দিনে আগুন পোহানো
লাগত কত যে মিষ্টি
শীতের পোশাকে মিষ্টি গন্ধ হতো
একি অপরূপ পারফিউম সৃষ্টি।

আগুনে ধান দিয়ে
কত যে ফুঁটিয়েছি খই
বাওড়ের তাল গাছের গুঁড়িতে
পাওয়া যেত মাছ কই।

খুঁটিতাম বুজ,পাড়িতাম বন্দরের লাঠি
সাক্ষী আছে আজও শ্রীরামপুরেরমাটি


কলামোঁচা আর খেঁজুরমেতি
পাড়িতাম কত
শীতের খেঁজুরের রস
বাদ যেত না শত।

মাছ মনে করে ধরতাম যখন
গুঁড়ির ব্যাঙ
ভাবতাম এরা শোল মাছের বংশধর
হয়ত হবে গুঁড়ির চ্যাঙ।

আঁচলে আর গামছায় ছেঁকিয়া
ছেলেমেয়েরা বাঁওড়ে মাছ ধরত
কারণে-অকারণে তারা
নেইল কাঁদায় গড়াগড়ি করত ।

অবুজ ছেলেরা বিড়ি বানিয়ে খেত
কেটে কুমড়োর ডাটা
তারাই আজ সমাজের গাঁজাখোর
হয়েছে সমাজের আকাটা।

শুক্রবারে টিভির ঘরে
পড়তো কত হিড়িক
হাসি- হইহল্লা করত শিশুরা
হতো যখন লিরিক।

ছেলেমেয়েরা দু'মুঠো চাউল নিয়ে
করত চড়ুইভাতি
চিল্লা-ফাল্লা করত তারা
কেউ দেখত যদি
তাদের কি যে মাতামাতি ।

ছেলেমেয়েরা গান গাইত
মিলতো নাকো কভু ছন্দ
দূর বন থেকে আসিত সেদিন
কাঁঠাল পাঁকার গন্ধ।

আল্লাহ মেঘ দে, পানি দে, বলে
ছেলেমেয়েরা করত কাঁদামাটি
তাই দেখে গাঁয়ের সরল আমজনতা
পেয়াজ -রসুন দিতো আঁটি আঁটি,
চাউল দিতো ভরে বাটি।

বাঁওড়ের পানিতে যারা দিত
উল্টো ধরনের ডিগবাজি
লোক মনে করতো হয় তাল পরছে নয়তো এসব দুষ্টু ছেলেদের কারসাজি।

যাদের পুকুর পাড় ভেঙে যেত
তারা বলত,
এর একটা বিহিত দরকার আজি।।

শৈশবের সেই মজার স্মৃতি
ভ্যানের পিছনে বাঁদুড়ঝোলা
পুরানো সেই শৈশব স্মৃতি
আজও যায় কি তা ভোলা।

আলু পোঁড়ানো,আলু কোঁড়ানো
ছিল যাদের পেশা
বড় হয়ে সেই তাদের হয়েছে
ব্লাক-মার্কেট ও অবৈধ টাকার নেশা।

কানাকানা খেলতে যেয়ে
পড়ে যেতাম পুকুরে
যদি তোলার কেউ না থাকতো
ডুবে যেতাম সেদিন ঠিক দুপুরে।

শুক্রবারসহ স্কুল যেতাম
ঠিক এক সপ্তাহ রাতদিন
সুজিত স্যারের হাতে
মার খেতাম ঠিক ঐ সাতদিন।

স্কুলে গিয়ে আমরা সবাই
করতাম মারামারি
বাদ যেতনা শান্ত ছেলে
মুকুলের ঘড়ি ছেঁড়াছেঁড়ি।

স্কুলে যাওয়ার সময় বৃষ্টি হলে
না থাকলে ছাতা
কাটতাম টিনের স্কেল দিয়ে শোঁ করে
কঁচু আর কলার পাতা।

স্কুলে স্বাধীনতা দিবসে একবার
করেছিলাম দাদার অভিনয়
দাদি ছিলনা বলে কি তখন
আমি ছিলাম অসহায়!

বর্ষার সময় নৌকা চড়ে স্কুল যেতাম
থাকতো নৌকার পাল তোলা
বাসে করে এক টাকা দিয়ে স্কুলে
যাওয়ার কথা যায় কি গো ভোলা!

ক্রিকেট আর ফুটবল খেলতাম
কাউন্টি আর টস
ফুটবলেতে জিরো ছিলাম আমি আর
টস আর কাউন্টিতে বস।

কুলগাছ থেকে কুল পাড়তাম
পেয়েরা গাছ থেকে পেয়ারা
তাইতো আমার শৈশবে ছিল
শ্যামলা- মলিন চেহারা।

মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ