আজ ১৩ আষাঢ় ১৪২৬, বৃহস্পতিবার

"কখন না জানি,দেয় এ জীবন শেষ ঝলকানি"
- Md. Osmangani shuvo

শাপলা পাতার পানি
দেয় হাতছানি
কখন না জানি
দেয় এই জীবন শেষ ঝলকানি।

ধানের বুকে প্রাণের শিশির
দূর দিগন্তে ডাকে পাখি কিচিরমিচির
আসবে প্রভাত,ঘুঁচবে এবার দুখের তিমির
পাখি খুঁজছে অন্য খাবার,প্রাণ বাঁচবে ঝিঁঝিঁর

ফুঁটেছে অদেখা পাট গাছের ফুল
যাবে না এবার মনুষ্য জাতির কূল
পাশেই দেখা যায় বরইয়ের মুকুল
শুধরাতে হবে এবার ইহজনমের ভুল।

লাঙল-জোয়াল দ্বারা কৃষকের জমিতে কর্ষণ
আর একটু পরেই হবে অনাবিল শান্তির বর্ষণ
পৃথিবীর বুকে আর কেউ হবে না কখনও ধর্ষণ
সর্বদা থাকবে শান্তির বাণী,হবে সত্যের শাসন।

জলাঙ্গীরে দেব জল শেষ বিকেলের বেলা
জীবনের বিজয় হবে করোনা তো হেলাফেলা
রঙিন জীবন শুরু না হতেই শেষ করোনা রঙের মেলা
জীবন দাম বুজবে কে,যে করে জীবনের সাথে ছেলেখেলা।

মেঘের পায়েল পায়ে দিয়ে বাজাও তবে এবার
জীবনে নামবে শান্তির বরষা, যে যাবে যাবার
ঘাসের শিশির বাষ্পে লুকায়ে করে সুখ-চিৎকার
থাকবে না তৃণলতা,থাকবে না ঘাস,হবে সবার সুখ- সৎকার।

অল্প বাতাসে দোলে মৃদু বৃক্ষমায়ের ডালপালা
কে বুজবে বৃক্ষের ফুল না ফোটার অন্তিম জ্বালা
সব গাছ থেকে মালা হয়, হয় না তার গাছে মালা
মানবজীবন বৃক্ষের মত সামান্যে হয় ফালাফালা।

এক কীটে খায় অন্য কীটের, ফিঙে নেয় মজা
এই দুখেতে সুন্দর ফিঙেটার হয়না রোজা রাখা
জীবনসংসার দুর্বিপাকে ঘোরে নয়তো এমন সোজা
মোরা সবাই করি কীটের অভিনয়,অবশেষে ফিঙে হয় রাজা।

সবুজের বুকে আঁকি মোরা এক অস্থির সূর্যোদয়
জানি না কবে দুঃখগুলো তিমিরে গিয়ে সুখের হবে দারুণ উদয়
আসবে না আর তরুণ প্রানের করুণ অরুণোদয়
যদিকে তাকায় সেদিকে দেখি সবাই করে জীবনের সাথে মিছে অভিনয়।

পদ্মপাতার স্বচ্ছ- জল
চক্ষুনীরও করে যে টলমল
পদ্মের বুকও পানিতে ছলছল
ঘুঁচবে এবার দুঃখ-সুখের আকাল।

মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ