আজ ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭, শুক্রবার

সৈয়দ শামসুল হক

সৈয়দ শামসুল হক (জন্ম ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৩৫) একজন বিখ্যাত বাংলাদেশী সাহিত্যিক। তিনি কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্প তথা সাহিত্যের সকল শাখায় সাবলীল পদচারণার জন্য তাঁকে 'সব্যসাচী লেখক' বলা হয়। সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান। বাংলা একাডেমী পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন।

সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ
সৈয়দ শামসুল হক সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন ও হালিমা খাতুন দম্পতির আট সন্তানের প্রথম সন্তান। পিতা সৈয়দ সিদ্দিক হুসাইন পেশায় ছিলেন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। তিনি ডাক্তারি চর্চা করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়ের গর্বিত জনক জনাব হক ব্যক্তিজীবনে প্রথিতযশা লেখিকা ডাঃ আনোয়ারা সৈয়দ হকের স্বামী। সৈয়দ শামসুল হকের ভাষ্য অনুযায়ী তাঁর রচিত প্রথম পদ তিনি লিখেছিলেন এগারো-বারো বছর বয়সে। টাইফয়েডে শয্যাশায়ী কবি তাঁর বাড়ীর রান্নাঘরের পাশে সজনে গাছে একটি লাল টুকটুকে পাখি দেখে দুলাইনের একটি পদ "আমার ঘরে জানালার পাশে গাছ রহিয়াছে/ তাহার উপরে দুটি লাল পাখি বসিয়া আছে।" রচনা করেন। এরপর ১৯৪৯-৫০ সালের দিকে ম্যাট্রিক পরীক্ষার পরে ব্যক্তিগত খাতায় ২০০টির মতো কবিতা রচনা করেন। সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৫১ সালের মে মাসে। ফজলে লোহানী সম্পাদিত ‘’অগত্যা’’ পত্রিকায়। সেখানে “উদয়াস্ত” নামে তাঁর একটি গল্প ছাপা হয়।

সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হকের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কুড়িগ্রাম মাইনর স্কুলে। সেখানে তিনি ষষ্ঠ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। এরপর তিনি ভর্তি হন কুড়িগ্রাম হাই ইংলিশ স্কুলে। এরপর ১৯৫০ সালে গণিতে লেটার মার্কস নিয়ে সৈয়দ শামসুল হক ম্যাট্রিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

সৈয়দ শামসুল হকের পিতার ইচ্ছা ছিলো তাঁকে তিনি ডাক্তারী পড়াবেন। পিতার এরকম দাবি এড়াতে তিনি ১৯৫১ সালে বম্বে পালিয়ে যান। সেখানে তিনি বছরখানেকের বেশী এক সিনেমা প্রডাকশ হাউসে সহকারী হিসেবে কাজ করেন। এরপর ১৯৫২ সালে তিনি দেশে ফিরে এসে জগন্নাথ কলেজে নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী মানবিক শাখায় ভর্তি হন। কলেজ পাসের পর ১৯৫৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন। পরবর্তীতে স্নাতক পাসের আগেই ১৯৫৬ সালে সেখান থেকে পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে বেরিয়ে আসেন। এর কিছুদিন পর তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘’দেয়ালের দেশ’’ প্রকাশিত হয় ।

কাব্যগ্রন্থঃ
একদা এক রাজ্যে (১৯৬১)
বিরতিহীন উৎসব (১৯৬৯)
বৈশাখে রচিত পংক্তিমালা (১৯৭০)
প্রতিধ্বনিগণ (১৯৭৩)
অপর পুরুষ (১৯৭৮)
পরাণের গহীন ভিতর (১৯৮০)
নিজস্ব বিষয় (১৯৮২)
রজ্জুপথে চলেছি (১৯৮৮)
বেজান শহরের জন্য কোরাস (১৯৮৯)
এক আশ্চর্য সংগমের স্মৃতি (১৯৮৯)
অগ্নি ও জলের কবিতা (১৯৮৯)
কাননে কাননে তোমারই সন্ধানে (১৯৯০)
আমি জন্মগ্রহণ করিনি (১৯৯০)
তোরাপের ভাই (১৯৯০)
শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৯০)
রাজনৈতিক কবিতা (১৯৯১)
নাভিমূলে ভস্মাধার
কবিতা সংগ্রহ
প্রেমের কবিতা
ধ্বংস্তূপে কবি ও নগর (২০০৯)

পুরস্কারঃ
বাংলা একাডেমী পুরস্কার, ১৯৬৬
আদমজী সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৬৯
অলক্ত স্বর্ণপদক ১৯৮২
আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, ১৯৮৩
কবিতালাপ পুরস্কার ১৯৮৩
লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক, ১৯৮৩
একুশে পদক,১৯৮৪
জেবুন্নেসা-মাহবুবউল্লাহ স্বর্ণপদক ১৯৮৫
পদাবলী কবিতা পুরস্কার,১৯৮৭
নাসিরুদ্দীন স্বর্ণপদক, ১৯৯০
টেনাশিনাস পদক, ১৯৯০
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গীতিকার
মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার ২০১১


আজ পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে সৈয়দ শামসুল হক এর ২০টি কবিতা প্রকাশিত হয়েছে।

কবিতা কাব্যগ্রন্থ পঠিত মন্তব্য
পরানের গহীন ভিতর-১২ পরানের গহীর ভিতর ৩৩৩১৬ বার ২০ টি
পরানের গহীন ভিতর-১০ পরানের গহীর ভিতর ১০৯৫৭ বার ১ টি
পরানের গহীন ভিতর-৯ পরানের গহীর ভিতর ৮২৮৮ বার ১ টি
পরানের গহীন ভিতর-৮ পরানের গহীর ভিতর ৮৩৭৫ বার ৩ টি
পরানের গহীন ভিতর-৭ পরানের গহীর ভিতর ৭১৫০ বার ১ টি
পরানের গহীন ভিতর-৬ পরানের গহীর ভিতর ৬৪৭৩ বার ০ টি
পরানের গহীন ভিতর-৫ পরানের গহীর ভিতর ৬৫১৮ বার ০ টি
পরানের গহীন ভিতর-৪ পরানের গহীর ভিতর ১০২১৯ বার ১ টি
পরানের গহীন ভিতর-৩ পরানের গহীর ভিতর ৮৩১৮ বার ১ টি
পরানের গহীন ভিতর-২ পরানের গহীর ভিতর ৯১৭৬ বার ১ টি
আমি একটুখানি দাঁড়াব সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ১২২৯৩ বার ৩ টি
এখন মধ্যরাত সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৮২৭৮ বার ১ টি
তুমিই শুধু তুমি সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ১০৮৮৫ বার ১ টি
তোমাকে অভিবাদন, বাংলাদেশ সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৪৮১৮ বার ০ টি
আমার পরিচয় সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৩৩০৭২ বার ০ টি
কিছু শব্দ উড়ে যায় সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৬৭৭২ বার ০ টি
একেই বুঝি মানুষ বলে সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৬৫৮১ বার ১ টি
পরানের গহীর ভিতর-১ পরানের গহীর ভিতর ১৫৭৯৫ বার ৪ টি
পরানের গহীর ভিতর-১১ পরানের গহীর ভিতর ৫৬৬৩ বার ০ টি
একুশের কবিতা সংকলিত (সৈয়দ শামসুল হক) ৮৪২০ বার ১ টি