একটি উপলব্ধি
- ফয়জুস সালেহীন

নতজানু হয়ে অন্তর দিয়ে ভিক্ষা চাইলে,
রাব্বুল আলামীন রিক্ত হস্তে ফিরিয়েছেন কবে কাকে?
তাইতো দিয়েছিলেন তিনি সাড়া
সম্রাট বাবরের ডাকে।
কতোটা নিশ্চিন্তে সম্রাট
ঢলে পড়েছিলো মৃত্যুর কোলে।
পুড়তে হয়নি তাকে
পুত্র শোকের অণলে।
পারিনিতো হতে সম্রাট বাবরের মতো পিতা।
বুকের মধ্যে জ্বলছে আজি রাবনের চিতা।
পাপী তাপী আমি ডাকিনিতো প্রভু
সেভাবে তোমাকে।
জীবনের পসরা সাজিয়েছি শুধু ভুলচুকে।
ছোট্ট এ জীবনে পুত্র মোর পড়েছে
বারংবার কষ্টের কবলে।
কষ্টে কষ্টে হয়েছে নীল
দুরারোগ্য ব্যাধির ছোবলে।
হে প্রভু কোন অনুযোগ নয়,
তোমার তরে নত করি শির।
দুঃখ দরিয়ায় ইয়ারব তুমি দেখিয়েছো প্রশান্তির তীর।
শেষ বিদায়ে যখন দেখলাম
পুত্রের চোখে সুরমা লাগানো মুখ।
চারিদিকে আলোর ঝলকানি দেখে
প্রশান্তিতে জুড়িয়েছিলো বুক।
দেখিনিতো কোন কষ্টের ছাপ তখন তার বদনে।
বদনখানি যেন সঘন গগণ ফেরার আনন্দে সদনে।
উপলব্ধি করতে পেরেছিলাম আমি সেই লগনে-
ইব্রাহিম নবীর সাথে পুত্র মোর করবে খেলা
জান্নাতের বাগানে।।

০৪/০২/২০১৫


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 3টি মন্তব্য এসেছে।

১০-০২-২০১৫ ০৪:৪৭ মিঃ

আশরাফুন নাহার অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯-০২-২০১৫ ২২:৫৩ মিঃ

অসাধারন !

০৯-০২-২০১৫ ২২:১৫ মিঃ

পাঠক কেমন লাগলো কবিতাখানি ?