রুখবে কে এই অকালবোধন
- সুকন্যা তিশা
এখন আর আগের মত অতল ঘুমে হারিয়ে যেতে পারি না ,
পারি না আর ঠিক মত কোন কিছুতে মন বসাতে,
অস্থিরতা আর অনিশ্চিয়তার বিষবাষ্পে দেহ মন তলিয়ে বুদ হয়ে গেছে।
যদি কোন সাউন্ডিং সিস্টেম বা লিড লাইন থাকতো তাহলে হয়ত বুঝতে
কত ফ্যাদম গভীরতায় তলিয়ে গেছি আমি।
এত উৎকন্ঠার পেছনের প্রশ্নটি হলো-কেন এমনটি হচ্ছে ?
কি সেই কারন যা আমার স্বাভাবিক পথ চলাকে বিঘ্নিত করছে ?
হে কবি ! বলতে কি পারো এর সদত্তুর কোথায় ?
জানো কি ?
কুয়াশাচ্ছন্ন আবছা অবয়বে কে আমায় এত ব্যাকুল করে দিচ্ছে ?
তার এই অমীমাংসিত রহস্যের খেলা সাঙ্গ হবে কবে ?
কেনইবা এমন অসংজ্ঞায়িত রসিকতায় উদ্বিগ্ন করছে আমায় সে?
আমি তো সম্পন্না নই ! রিক্ত এক সাধারন মানবী মাত্র!
কি-ই বা দেবার আছে আমার ?
থাকার মধ্যে শুধু আছে “আত্মাভিমানী এক হৃৎকমল”,
যেই হৃদিসরোবরে প্রতিনিয়ত নিত্য নতুন সাজে
প্রণীত হয় এক একটি মনোময় অনুরাগ পাপড়ি।
কেহ যদি আমার সেই আরাধনার রাজ্যটিও
হৃত করতে চায় তবে বাঁচি কেমন করে বলো তো ?
আমার মানোয়ারি আত্মাটি যে বারংবার ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসছে
এই অকাল অপগ্রহকে রহিত করতে না পেরে।
হে কবি ! পারো কি তুমি ?
এই অসম্ভব বেপরোয়া ক্ষিপ্ত আত্মাটিকে শান্ত করতে ?
পারো কি ?এই অকালবোধন রুদ্ধ করতে ?
(১০.০২.১৫)
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 4টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।