এক ফোটা শিশির জল
- রুবিনা মজুমদার
মেয়েটি নীল আকাশটাকে ভালোবেসে
হৃদয়ের আঁচল পেতে –
নীলাভ আকাশের উদারতা চেয়ে
আকাশের বুকে চেয়েছিলো একটু ঠাই ।
আকাশ তাকে দিলো ঝড় – বাদল
আর নীল ফিতের কষ্ট –
যা মেয়েটির ক্ষতে আজো স্পষ্ট ।
মেয়েটি সমদ্র টাকে ভালোবেসে
হৃদয়ের আঁচল পেতে –
সমুদ্রের গভীরতা চেয়ে –
সমদ্রের বুকে চেয়েছিলো –
এক ফোটা ভালোবাসার জল ।
সমুদ্র তার ঢেউয়ে ঢেউয়ে
নোনা জল তরঙ্গের ছন্দে
গানে গানে সুরের টানে –
মেয়েটিকে শোনালো গর্জন ।
মেয়েটি পাহাড়টাকে ভালোবেসে –
হৃদয়ের আঁচল পেতে –
পাহাড়ের বিশালতা চেয়ে –
পাহাড়ের বিশাল বুকে চেয়েছিলো একটু ঠাই ।
পাহাড় তাকে বললো ঃ- ওগো সোনার মেয়ে
আমার বুকে নেই উদারতা , নেইতো কোনো গর্জন
আমার কিভাবে তুমি করবে অর্জন ?
আমি নইতো কোন হীরা – পান্না ,
আমার আছে শুধু বুক ভরা চাপা কান্না ,
যদি চাও নিতে পারো তা ।
মেয়েটির দৃষ্টি ভিজে শিশির জলে
সব কষ্ট বুকে তুলে –
হৃদয়ের বিকেল জুড়ে ধূসর মেঘ ,
আর আঁধার নিশির ভর বৃষ্টির তুখোর নৃত্যের আবেগ ।
তাই মেয়েটি আজ বসে নির্মল নির্জনতায় —
দূর আকাশের উদারতার কষ্ট চোখের চাহনিতে –
দূর সমুদ্রের গর্জন হৃদয়ের অনুভূতিতে –
বিশাল পাহাড়ের চাপা কান্না বুকে ধরে –
চোখের অরণ্যে শুকিয়ে যাওয়া –
এক ফোটা শিশির জল …।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।