আত্মসমর্পণ
- সুকন্যা তিশা
অনেক কথা বলার ছিলো কিন্তু ভাষাহীন এই অধর
হাজার চেষ্টা করেও গুছাতে পারছে না কথাগুলো।
বাকপ্রতিবন্ধির বলতে না পারা এক একটা ভাষা
আজ অনেকটাই স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হচ্ছে।
বোবা চোখ নির্বাক হয়ে অতীত স্মৃতি হাঁতড়ে
একটু খানি সুখ আর সত্যতা খুঁজে ফিরছে ,
কখনও কি ভুল করে হলেও এতটুকু ভালোবেসে ছিলো সে আমাকে ?
কিন্তু না পাওয়া গেল না সুখ আর সত্যতা।
সত্য-মিথ্যার জালে মিথ্যেটাই আজ
অ্যাকুয়াস হিউমারের মত ভেসে বেড়াচ্ছে স্ক্লেরার সামনে।
ব্রেনের ১০০০০ কোটি নিউরনের পেষনে আজ
সিডাক্সিনের নেশাও পরাজিত হয়ে ফিরে আসছে বারংবার।
প্রতিটি শিরা, উপ-শিরা ফুলে ফেঁপে উঠে একটি প্রশ্নই করছে ব্রেনকে,
“বিশ্বাসের সাথে প্রতরনার এই চাদর কেন পরানো হলো তোকে ?
আর তা বুঝেও নিশ্চুপ দর্শক হয়ে কি উপভোগ করতে চেয়েছিলি তুই?”
স্বঘোষিত বোকামীর এই গ্লানি বেঁচে থাকার শেষে
ইচ্ছেটাকেও ছাড়ছে না,উপহাসের সুরে প্রশ্ন করেই যাচ্ছে
‘এখনও কি বেঁচে থাকার স্বাধ আছে তোর ?’
ধ্রুততার এই রাজ্যে বোকাদের বসত করা
১৪৪ধারা ভঙ্গ করে বেঁচে থাকার সামিল।
তোর মত অহংকারী বোকার
সেই ধারা ভঙ্গ করার সাধ্য কতটুকু আছে যে ,
এত বড়াই আর লড়াই করে জিততে চাচ্ছিস ?
তার চেয়ে কি নত মস্তিষ্কে আত্মসমর্পণই শ্রেয় নয় ?
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।