সুপ্রিয় সুদূর
- সুকন্যা তিশা
নবরূপার চোখে তাকে নিয়ে দেখা প্রথম স্বপ্ন।
সর্ম্পূণ অচেনা পৌরষ দীপ্ত একটি অবয়ব ।
দুষ্ট হাসিতে হঠাৎ-ই মাঝ রাতে চোখের পর্ণসিতে ভেসে উঠলো,
বাঁকা চোখের চাহনিতে কি যেনো বলতে গিয়েও থেমে গেলো ।
অকস্মাৎ এই সাক্ষাতে বালিকার লজ্জা রাঙা
পলকখানি পড়তে না পড়তেই নিমেষেই হারিয়ে গেল কোথায়।
নবরূপার বহু প্রতীক্ষিত পিয়াসী চরিষ্ণু ধারা
মুর্হূতের জন্য থমকে গিয়েও আবার বইতে শুরু করলো।
সেই থেকে অভিমানী মেঘ-কালো মুখ করে ঘুরে ফিরছে,
আর আপন মনে স্বপ্ন স্বরীশ্বরকে নিয়ে
গড়া কাল্পনিক মনুমেন্টের সাথে মনান্তরে ব্যস্ত রয়েছে।
যুক্তিবিদ্যায় বারংবার সেই অপরিচিতকে পরাস্থ করে
সান্ত্বনার যে ক্ষানিক তৃপ্তিটুকু পাচ্ছে,
তাতেও মনমোহিনীর মনোভার এতটুকুও কমছে না।
‘না হয় একটু দেড়িতেই ডাক পড়েছে তার,
তাই বলে এত রাগ করতে আছে ?
চোখের তৃষ্ণা যে এখনো চোখেই লেগে আছে।
এ তৃষ্ণা নিবারণ কভু কি আর সাঙ্গ হবে না তাহলে?”
এ অভিমানী প্রশ্নাত্মক বাণীর সদুত্তর যে এখনো
ঊর্ধাকাশে জ্বলজ্বল করা নক্ষত্রের মত সুদূরেই রয়ে গেলো।
তাহলে কি আর সত্যি পাওয়া হলো না তাকে ?
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।