স্রোতের বিপরীতে আমি
- সুকন্যা তিশা
‘সুখ’ সে তো অহংকারের আরেক নাম,
শুধু নিজের আভিজাত্য প্রকাশ করেই শান্ত নয় সে
স্বার্থপরের মতো লোভ দেখিয়ে
নিজের মহিমা প্রকাশে ব্যস্ত এক সফল ব্যবসায়ী।
যে কিনা বেঁচা কেনা শেষে নিজের ভাগসহ
অন্যের ভাগটা কেড়ে নিতে পারে অনায়েসেই ,
দস্যু চক্রের মত নির্দয় আর নৃশংস্র এক মরিচীকার নামই সুখ।
‘দু:খ’ একে তো কাছে ডাকার কোন দরকারই হয় না,
নিলজ্জের মত গোবেচারা টাইপ মুখ নিয়ে এসে
এমন করে সামনে দাঁড়ায় যাকে না চাইতেও
আদর করে কোলে তুলে নিতে হয় আপন স্নেহে।
সে কেঁড়ে নিতে নয়!আসে হাসি মুখে দুহাত ভরে
নিজেকে বিলিয়ে দিতে,তখন সে দু:খকে গ্রহণ করে
দু:খ বিলাসী হয়ে একাকিত্বের মাঝে হারানোকেই
বরন করতে হয় মহা সমারোহে কষ্টের শামিয়ানা টানিয়ে।
এই দুইয়ের গাঠনিক ব্যবধান আর চারিত্রিক ব্যবধানের
মাঝে পরেই তখন আমাদের জীবন
হয়ে যায় স্রোতের বিপরীতের এক দুর্বিষহ মোহনা।
তারপরও আমরা সুখী হতে চাই
দু:খকে পরাজিত করার বৃথা চেষ্টায় নামি,
নির্বোধ আমি ভুলেই যাই ‘সুখ’ কতটা দামী ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।