অভিমানী এক পরীর গল্প
- সুকন্যা তিশা - ধূলো মাখা মলাট
একটি পরীর গল্প আজ শুনবে নাকি বলো-
খুলো তবে মনের আদল তারপর না হয় ভুলো।
নরম ঘাসে রেখে পা ভেঙে শিশির বুক,
প্রভাত নামায় প্রকৃতিতে খুলে দুটি চোখ।
ফুলের গন্ধে নেচে গেয়ে হয় যে ব্যাকুল,
কেটে যায় প্রভাত বেলা কুঁড়িয়ে বকুল।
দিঘীর জলে স্নান করে কাটে তার বেলা ,
জলের উপর আলোর প্রভা করে মিছি খেলা।
দিনের শেষে আসে সন্ধ্যা ওঠে হাজার তারা,
গুনতে গুনতে সময় যায় দিনটি হয় হারা।
রাতকে আপন করে ওঠে র্পূনিমা শশী,
চেয়ে থাকে অকূলপানে কাটায় চন্দ্র নিশি।
এমনি করে যাচ্ছে দিন লাগছে না তো ভালো,
একদিন এক রাজকুমার তার দ্বারে এলো।
বললো হেসে- ‘‘বন্ধু হবে? যাবো বহু দূরে,
তোমায় রাখবো মনের ঘরে শুধু আপন করে ।”
বুঝতে নাকো পারে সে এর মানে যে কি ?
হাতটি ধরে বললো হেসে বন্ধু হয়েছি।
এমনি করে হতে থাকে সুখের আলাপন,
বলছে কথা, যাচ্ছে দিন, বইছে শিহরন ।
হঠাৎ করে আসল ঝড় তাদের সুখের ঘরে ,
দুজন গেলো দু’দিকে দুজনাকে ছেড়ে,
দিন কাটে, রাত কাটে,কাটে বছর মাস,
বিষণ্নতায় মন কাটে ভাবনায় হতাশ।
কোন দিন আসবে ফিরে তার স্বপ্নকুমার?
তাই ভেবে বসে থাকে শুধু পথ কিনার।
পরীটি বেশ অভিমানী একান্ত আপনার,
বুঝলো না’কো কেউ তো তার মনেরি আবদার।
অভিমান লয়ে মনে শুধায় পরী-
ভালো কি বাসো মোরে সত্যি করি ?
না যদি বাসো তবে কেন হায়!
এমন করে জীবনটাকে করলে বৃথায়?
চাও নি কি কভু তবে করতে আপন ?
কি হবে রেখে এই বিফল জীবন ।
---------------(15.12.09)7.00PM
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।