জীবনধারা
- সুকন্যা তিশা - নষ্ট বিবেকের ক্রন্দন
এসেছে মানব শিশু যত কালে কালে.
নিজ নিজ জীবনধারা নিজে বহিবারে।
এ ধারায় কভু কেহ কারো নয়,
এ চরম সত্যকেই সদা বহিতে হয়।
মায়ের গর্ভে যখন ছিল এ শিশু,
ছিলো নাতো বন্ধু তার ছিল নাতো কিছু,
চোখ মেলে দুনিয়াতে করে আগমন,
পায় নাকো কাউকে সে গড়তে জীবন।
জীবন নামের রঙের মেলায় থাকে আপনজন।
মনে হয় দুখের সঙ্গী আছে কতজন,
বিপদ এসে পথি মধ্যে দাঁড়ায় যখন,
থাকে নাতো বন্ধু আর থাকে না সুজন।
পাগল প্রায় জীবনেতে খুঁজে শুধু ঠায়,
সান্ত্বনা দেবার মতো কেহ নাহি পায়।
জীবন মানে হলো দুখের নীল পাপড়ি,
ক্ষয়ে ক্ষয়ে ঝড়ে পড়া সুখের শর্বরী।
হাজার দুখের আঁচড়ো যদি থাকে সেখানে,
ভাবতে হয় সুখ তার আছে এখানে।
একা আছি ভেবে কেহ করো না হৃদয় ভার,
নিজেকেই করো সঙ্গী কাটাতে এপার।
হয় নাতো সঙ্গী কেহ শেষ বিদায় ক্ষনে,
তবে কেন মিছে মায়া এই ভূবনে ।
নিজের কর্মটুকু লয়ে নিজেকেই,
দাঁড়াতে হয় সৃষ্টিকর্তার সনিকটেই।
চলার পথে কোন কাজে হয় যদি মন্দ,
আছে কি কেহ তোমার বহিবে সেই দণ্ড?
তবে কেন খোঁজ এই অকারন সঙ্গ ?
মিছে এই অভিনয় ভেঙে করো পণ্ড।
ভালো যদি হতে চাও জীবনে কেহ,
করতে হয় মোমবাতি নিজের দেহ।
বাতির নিচে যেমন থাকে শুধু অন্ধকার,
তেমনি করে দুঃখকে লুকিয়ে তোমার।
হাসি মাখা মুখখানি করতে পারো বার,
তাহলেই বলবে তোমায় সবাই চমৎকার।
দেখবে নাতো এর ভিতরে আছে কি আঁধার,
নিবিড়ভাবে যতন করা দুখের পাহাড়।
অসময় দেখেই সবাই হয় অগোচর,
দুঃখকে বুঝবে তোমার তা হোক পর।
তবুও আশার মাঝে করে বসবাস,
কম বেশি আছে ভালো বন্ধুর বাস।
যাচাই করে লহো তোমার সেই বন্ধুরে,
শেষ দিনও পাও যেনো কাছে তাহারে ।
----------------(12.01.10)7.00PM
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।