একমুঠো ভাত
- শরিফুল ইসলাম

সেদিন দখেছিনু এক করিডরে
পাঁচ বছরের শিশু ঘুমিয়ে ঘরের দ্বারে।
চাঁদের মত মুখখানি তার কচি লাউয়ের ডগা
চারটি বছর হইয়াছে তার বাবাকে নিয়াছে বিধাতা।
স্বামীর বাড়িতে একা মেয়ে নাজু কি করিবে হায়
একমুঠো ভাত জুটাইতে পারেনা সে গাঁয়।
একটি দিন কেটেছে নাজুর একটি বছরের মত
স্বামী হারা ব্যাথা বুক খানি তার করিয়াছে শুধু ক্ষত।
ভাঙা ঘরখানি খসিয়া পড়িতেছে তার চালের ছাউনি
তারই সাথে খসিছে জীর্ণ শীর্ণ তরল হৃদয়খানি।
একটি ছেলে রবি একমুঠো ভাত দিতে হবে তার মুখে
শহরের পথ পাড়ি দিল নাজু সেই সুখে।
ছেলের কথা ভাবিয়া নাজু ভাসায়াছে সুখের ভেলা
দিনে দিনে মানিক হইবে বড় আসিবে হাসি খেলা।
এমনি ভাবিয়া নাজু এক বাবুসাহেবের বাসায় ধরিলো কাজ
কাজে কাজে কাটিয়া যায় সকাল দুপুর সাজ।
বাসায় কত শোপিচ রয়েছে থরে থরে শাজানো
রবি যদি ফেলে ভেঙে, তাই জাবেনা বাসায় ঢুকানো।
বাহিরে রাখিয়া রবির মায়ে ভিতরে ঢুকে কাজে
কত ছল করে বুঝিয়ে যায় বাবা যাসনা কোথাও আমি আসার আগে।
সারাটাদিন কেটে যায় রবির দরজার ফাঁকে উকি দিয়ে
ঐবুঝি আসিছে মায়ে একমুঠো ভাত নিয়ে।
০৬৷০৬৷২০১৬


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।