দেখা
- আমিনুর রহমান (তপু রায়হান)

সেদিন সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছিল
ভাবছিলাম, কিভাবে দেখা হবে?
তবুও দেখা করতেই হবে পাখিটার সাথে
তা না হলে হঠাৎ করেই যদি অভিমান করে বসে,
তখন কি হবে?
সারারাত ভেবেছি ভোর কখন হবে?
রাতটা এতো দীর্ঘ না হলে কি হতোনা?
ঘুম আসেনা, ছাই! তবুও ঘুমের ভান ধরে থাকা,
চোখের মধ্যও কি অন্তরার ছবি আঁকা?
স্কুলের দোতালার রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে আছি
কখন আসবে? এতো দেরী কেন করে?
তাঁর ফোলা চোখ দেখে ব্যাথা জাগে আমার বুকে,
কি হয়েছে? শুধু উৎকণ্ঠায় ঘুম আসেনা সুখে।
তখন ঝড় হচ্ছিল খু্ব,
আমার মন তার টিনের চালায়,
যদি ঝড় সব এলোমেলো করে দিয়ে যায়,
তাহলে আমার কি হবে উপায়?
কখনো ভাবতাম পাখি হয়ে যায়,
উড়ে গিয়ে তার শিয়রে বসে গল্প করি,
পাখি হয়ে প্রবেশ করে রুপ বদলে
শিহরিত হয় স্বর্গের দেবতার মতো,
এনে দেয় তাকে পৃথিবীর
রাশি-রাশি সুখ আছে যতো।
কখনো ভেবেছি এই ঘনঘোর বাদল সময়,
তার কাছে দ্রুত ছুটে চলে যায়,
আবছা আলো,আবছা অন্ধকারে
চমকে দেব তাঁকে হঠাৎ করে
যদি বৃষ্টি আবার শেষ হয়ে যায়
এতো কাছে তবে কিভাবে পাবো তোমায়?
জনম জনম যদি দেখি তোমায়
শেষ হবেনা তোমাকে দেখার তৃষা,
মরন যদি শেষ করে দেয় আমাকে
তখনো হয়তো চাইবো দেখতে তোমাকে।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।