জীবনের গল্প
- বিচিত্র বিশ্বাস নীল
জীবনের পরীক্ষা দিতে দিতে খাতা শেষ করে এক্সট্রা পেজও শেষ করতে চললাম।
কিন্তু ঘন্টাও আর বাজে না পরীক্ষাও শেষ হয়,
মা বলেছিলো- ঘন্টা না পড়তে যেন পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে বের না হই।
সেই ভয়ে বেরও হতে পারছি না ,সেই থেকে পরীক্ষার হলেই কাল যাপন শুরু।
জন্মাবার পর থেকে সেই যে ভাগ্যের চাকা ঘুরছে তো ঘুরছেই ।
কখনও চার,পাঁচ করে কখনও নয়ে এসে পড়ছে কিন্তু থামছে না।
চাকাটা বোধ হয় আধুনিকতার ছোঁয়ায় ঘড়ি হয়ে গেছে।
হাতঘড়িটা আর খুঁজে পাচ্ছি না।
তাই সূর্যঘড়ি বা তারাঘড়ি হয়ে সময়কে সেই যে ধরে রেখেছে।
আর ছাড়েনি ; তাই আমিও ঘুরেই চলেছি থামতে আর পারছি না।
রোজই ঘুম থেকে উঠে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি-
কোন কিছু নিয়ে আর মাথা ঘামাবো না।
আজ থেকে চিন্তামুক্ত হবে জীবনের প্রতিটি মূর্হুত।
কিন্তু যাই যা বলি মাথাটার যে কি হয়- বিশ্রাম নেবার নামই নেয় না।
আমি জেগে উঠলেও তার যেন নিস্তার নেই ।
তাই চিন্তামুক্ত জীবনটা টুথপ্যাস্টের ঝাঁজের সাথেই চলে যায়।
বাস্তবে আর ধরা দেয় না ।
সারাদিনের কর্মব্যস্ততা শেষে যখন জীবনের হিসেব মিলাতে বসি,
তখন হয় আরেক জ্বালা।
হিসাবের খাতাটাই খুঁজে পাই না ।
দেখি কে যেনো এসে চুরি করে নিয়ে গেছে, তা আবার যেই সেই চুরি না।
যাকে দিনদুপুরে ডাকাতি বললেও খুব একটা ভুল হবে না ।
শেষে সব বাদ দিয়ে চোর-পুলিশ খেলায় মেতে উঠি।
কিন্তু চোর কি আর যে সে চোর, বড়ই সেয়ানা!
ধরা দেবে তো দূর নতুন নতুন ফন্দি এঁটে
শত্রু শত্রু খেলাটা ঠিকই খেলে যায় গোপনে।
মাঝখানে শুধু ”একাকিত্ব” এসে বন্দি হয়।
ব্যাস! আরকি-
এভাবেই চলতে থাকে সবার জীবনের গল্প।
খুব চেনা পরিচিত কিছু দৃশ্যের আদলে নতুন কিছু মুখ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।