আড়ষ্ট অভিমান
- রুহুল আমীন রৌদ্র

তোর চোখে চোখ রেখে কেটে গেছে,
একশো কোটি বছর !
তবুও পাইনি খুঁজে প্রণয় অর্ণব।
কেনই বা পাবো, অভিমানের বিষম আব্রুতে,
নিজেই নিজেকে রেখেছি ঢেকে যুগ হতে যুগান্তরে।
আমার চোখেছিল কামনার নির্যাস,
হৃদয়ে মোনকাটার জীর্ণ অরণ্য।
মৌনতার বিষপ্রলয়ে গড়েছিলি তাই তমস্র প্রাচীর,
বড্ড অভিমানে আমিও ছিলেম,
মুখোমুখী থেকেও যোজন যোজন দূরত্বে।
হৃদ সরোবরে ফুটেছে আজ
নিখর্ব নলিন,
ভাবনার অলিন্দে প্রোজ্জ্বল শরদিন্দু,
কেটেছে মৌনতার দুর্ভেদ্য তিমির।
চল সখি আজ মর্তচ্যূতি দেববাসী হই,
অভিমানের আড়ষ্ট প্রাচীর ভেঙে
স্নান করি দু'জন,
অচ্ছোদসরসী নীরে।
চল আজ বৈরাগী হই প্রণয়বনে,
শতাব্দীর শুষ্ক চঞ্চু ভিজাই অকলজলদোদয়ে।
আজ ভুলে যা সব নির্ঋতি নিনাদ,
শিঞ্জিনীপদে নৃত্য প্রণয়ছন্দে আয়,
বেণীর বাঁধনে বাঁধিসনে কুন্তল।
চল আজ গা ভাসাই কাশফুলের শুভ্রারণ্যে,
ডেঁড়েমুষে পান করি শশধর সুধা।
প্রণয় প্রলয়ে ভাসাই হিয়া,ভেঙেচুরে সব অভিমান,
তৃষিত বক্ষে সূচিত হোক,
নব উপাখ্যান।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026