প্রত্নকথা
- আদি আহমাদ সিফাত - বাসন্তি বরণ
রাতের আকাশে চাঁদের কিরন
দিনের আকাশে সূ্র্য্য
রাতের অবলোকনে তারাদের হাসি
আর দিনের গভিরে ঘুম
গভির জলে তিমির রাত্রি নিরব নিস্তব্ধতা
সকাল ভোরের শিশির কনাও কেলাহলে মাতা
সন্ধ্যে রাতের জোঁনাকির আলো চাঁদ আসিলেই লেশ।
ইতি টানে মনের সৃতি ঘুম জড়ানোর রেশ
সোনায় সোনায় আদো ব্যথা তপ্ত মরুর ছা
মরিচিকা আর সিলিকার টানে বেশ লেগেছে ঘা
মরুর বুকের রাতের ঘন্যতা যাইতো যদি জানা
মরুর বুকেও শিশির কনা হয়তোনা তবু মানা
অন্তরেতে বীনের আওয়াজ স্বর্পদলে কয়
বসন্তীর হাওয়া লাগলে গায়ে মন আদলে রয়
বীনায় বীনায় নতুন বাণী নতুর রুপোলী ধরা
আসার যদিও সময় থাকে যায়না নিয়ম করা
সূর্য্য বহ্যত ত্যজি বটে সন্ধ্যে সরন করে
অংক তোমার হিসেব খাতা মাথা নত করে
চন্দ্র নাহি দিবালোকে উঠিতে পায়না ভয়
রাতের পুবে নতুন রুপে ফাকি দিয়ে কয়
ভোর আসিলে বিরহ আমার যাতনা হয়েই রয়
পাওয়াই যদি শেষ কামনা শক্ত কর মন
যাহা তোমার তাহাই যেন বাধে মনে পন
যোগ্যতা আর মিথ্যা যদি একই বা না হয়
তোমার রত্ন হাতে নিয়ে
পথ চলিতে করোনা আার ভয়
ভাবছে বসে নিরব প্রকৃতি নিরব ছাউনি একে
ব্যথায় ভরা মনকে আবার চলবে নিয়ে বেকে
বাকা চাঁদের হাসির চেয়ে মিষ্টি তারার আলো
দিন আসিলেই লুকিয়ে পড়ে ভীন দেশি এই রত্ম
স্বপ্ন যখন তোমার হাতে মূল্যায়নে ভার
সময় হলেই বলবে তোমায় করো আমায় যত্ন
মূল্যায়নে মূল্য বাড়ে যত্নে বাড়ে দাম
ব্যক্তিত্ব আর হিন্য মনা বাড়ায় বহু কাম
ব্যক্তি থেকে মানতে হবে মানবতার কি রেশ
অতি ভক্তি বাড়ায় শক্তি ভুল না হওয়ার লেশ
কথন কথা আদি কথা বিরক্ত সুরেরটান
ভালো লাগার সময় নহে সময় ক্ষনে ক্ষম্য
রুপালি এই পদ্ধ্য ভুষন গড়া হরেক রম্য
দুনিয়াটাই রঙ্গমঞ্চ্য অহংকারির দম
দম ফুরিয়ে গেলেই তবে নানা জাতের সম
সমতা আর সমাপ্নেয় এক হইবার নয়
যাহাই তোমার তাহাই আমার তাহাতেই ভিন্নতা হয়
মুর্খ বলে তুচ্ছ হলে জ্ঞানির কি দরকার
যেই মুর্খ সেই করিবে মুর্খ জ্ঞানির বিচার
মুর্খ আমি জ্ঞানি তুমি, তুমি মু্র্খ হলে
আমার জ্ঞানের পরিসীমা অচির হারিয়ে ফেলে
ধরনি আমায় বিলিয়ে দিয়ে পিঠায় পিশে মারে
প্রকৃতি সাঁজে নতুন রুপে কি অপরুপ আহারে
প্রত্নকথাই মন না দিয়ে নিজের মতো চলো
ভুবন তোমায় করবে সালাম এইতো প্রাচিন হলো
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।