পেত্নি রানী
- আদি আহমাদ সিফাত - বিচ্ছেদ বিষন্নতা
একটি কথা খেলার ছলে
বলতে আছে মানা
শিশুর মতো কান্না করে
চামার মুছার ছানা
একটি ছেলে হাসি ছলে
পেত্নি বলে ডাকে
একটি মেয়ে পেত্নি ভুতে
রাত্রি জেগে থাকে,
ভয় দেখানো তাঁরতো কাজ
হুতুম প্যাঁচার বাগে
কুহু কুহু কুকিল সুরে
পেতনি চলে আগে
একটি ছেলে একটি মেয়ে
ঝগড়া ঝাটি করে
দিন কাটিয়ে মুখটি তাহার
বসে কালো করে
খানিক বাদে হয়তো পেত্নি
হয়তো চামার ছেলে
কান্না সুরে ভাইয়া দিদি
হাসবে দুজন মিলে
পেত্নি রানী ভুতের বউ
ভুতু ভুতু কথা
হাজার খানেক চোখের জলে
একটু খানি ব্যথা
ভয়ের চাঁদ আড়াল চুমি
উঁচু আকাশপটে,
তারাগুলো এক বন্ধনে
লুকোচুরির ঘাটে
লাটুর পুটুর লতা-পাতা
ঘুটুর ঘুটুর বনে,
পেত্নি পুতুল শিশুর মত
আওয়াজ তুলে গুনে
বাচ্চা বলে কাঁদায় তাকে
ছোট্ট মায়ের ছেলে
পেত্নি রানী খায়না বলে
ছেলেটির খানা নেই
ঘুম হয়না মুছার ছেলের
পেত্নি ঘুমাবে বলে
শেয়াল ভয়া খুকুর মত
উ-- আ -মেতে ধ্বনি,
একটি শিশু পেত্নি হয়ে
সুখি আত্মার খনি।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।