আত্নকথন
- বিচিত্র বিশ্বাস নীল - নীল কাব্য
একজন মানুষ জন্ম নিয়ে যখন এই অদ্ভুত ভুবনে আসল,
তখন সে অবাক হয়ে সবার দিকে তাকিয়ে থাকত আর কিছু হলেই কান্না করে দিতো,
আস্তে আস্তে সে বড় হতে লাগল,
এখন আর সে অযথা কান্না করে দেয় না,
অনেক কিছু বুঝতে শিখেছে।
জীবনের কঠিন মারপ্যাচ তার কাছে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে।
তার কাছে মনে হল জীবনের সব কিছু সে বুঝে গেছে,
তাই সে অজানা রাস্তা ধরে হাটতে লাগল।
যখন সে হাটা শুরু করে ছিল
তখন তার চারপাশে অনেক মানুষ ছিল তাই সে নির্ভয়ে হাটতেই লাগল।
কিছুটা পথ হেটে আসার পর হঠাৎ সে তার
চারপাশে তাকিয়ে দেখে তার পাশে কেও নেই,
সবাই চলে গেছে নিজ
নিজ পথে,
সে সামনে তাকালো, পেছনে তাকালো,
সব জায়যায় শুধু অন্ধকার আর অন্ধকার।
সে যেনো গোলক ধাঁধাঁয় পড়ে গেলো।
হ্যা.. এটাই হল জীবন.!
মানুষটি মনে করেছিলো সে জীবনের সব মারপ্যাচ বুঝে গেছে, সব শিখে গেছে তাই সে অজানার পথে হেটে চলে
ছিল।
কিন্তু যখনই কিছুটা পথ পাড়ি দিয়ে আসল তখন আর কিছু বুঝে উঠতে পারল না।
জীবনটা যেন এক টি অংকের মত,
শেষ হতে হতে শেষ হয়
না তবে জীবনের অংকে যোগ বিয়োগ ছাড়া কিচ্ছু নেই।
কিন্তু তাও জীবনের অংকে সবাই ভুল করে।
কারন ২ এ ২ এ যোগ
করলে হয় ৪,
এটা আমরা সবাই জানি।
কিন্তু জীবন এতো টাই
অদ্ভুত তাই ২ এ ২ এ যোগ করলে কখনো কখনো ৫ ও হয়ে যায়।
তাই তো জীবনে এতো অদ্ভুত হয়ে ধরা দেয় আমাদের কাছে,
লক্ষ লক্ষ বছর ধরে বেঁচে থাকলেও আমরা কেও জীবনের মারপ্যাচ
বুঝতে পারব না।
তবে বুঝার চেষ্টা না করে বৈচিত্রময় এই জীবনটা
উপভোগ করি না আমরা,
ক্ষতি কি তাতে.??
একলা এসেছো, একলাকেই তো চলে যেতে হবে।
তবে এই অদ্ভুত ভুবনে আসার ফলে অনেকের সাথে পরিচয় হবে,
অনেককে ভালও লাগবে,
তবে সব কিছু হল ক্ষনিকের,
কারন ঐ যে,
একলা এসেছো ,
একলাই ফিরে যেতে হবে.!
কেও কারো সঙ্গী হবে না।
আপাত দৃষ্টি তে সঙ্গি হলেও
ভেবে নিতে হবে সে তোমার সাথে নেই,
কেননা তাকেও তো একলাই ফিরে যেতে হবে কোন এক অজানা ঠিকানায়।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।