শীতলা
- আদি আহমাদ সিফাত

হিমালয় থেকে হিমবাহ আজ সুশান্ত প্রবাপহমান
ছুটে এসে মিশে গেছে অনন্ত সুরের মার্যনায়
হটাৎ ছুটে চলা কালবৈশাখী তাকে দেয় ইশারা
কার্তিকের ঘাম ঝরা পথিকের ক্লান্ত সময়
পৃথিবীর বুকে দুর্দান্ত এক সময় ছিলো
শীতকের শীতল হাওয়া বয় অভিশ্রান্ত মনে
আমাকে আমার হাতে তুলে দাও
অন্ধকারে শীতোষ্ণ আমার গায়ে কাথা মেপে দাও
ক্ষনিকের কাছে আজ পুরো হাওয়া বয়ে চলে গায়
শ্রমিকের ক্লান্ত দুপুর এই,,অভিশ্রান্ত শীতকেও হার মানায়
ঝিরঝির করা বায়ু প্রবাহ কেড়ে নেয় উষ্ণতার আবেশ
শিশির ভেজা ঘাসে নেই কোন শীতের আকুলতা
কোয়াশায় ঢাকা আজ উষ্ণ শহর
উষ্ণতা আদলে থরো থরো প্রেম পত্র নিমিষেই ভুলিয়ে
দেয় মনের বাসনা কি,,,
হীমবাহের শীতলতায় আজ শীত নিদ্রায় তারা
ভূবন ঘুরিয়া যাহারা গ্রীষ্মের উত্তাপে বৃষ্টি নিবাস উপভোগ করে
সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত হারিয়ে যায় আজ ব্যাকুলতা
গাছের কোলে বসে থাকা পাখির মনে জাগে শীত ভবনে উৎসর্গ আর্তনাদ
উঠন্ত বৃক্ষচারায় ঝরাপালকের মিশে যাওয়ার ভয়
নিয়ে যায় আমায় সুমধুর সেই প্রাচিন চেনা সুরে
হারিয়েই যাবে কোন এক কালে তবে কেনো ওগো এসেছিলে মনের ঘরে -মাতিয়ে প্রেম সুদীর্ঘকাল সময়ের বাসনা দিয়ে
তোমার ও গায়ের পথ ধরিয়া হয়নি আজও আমার
সুরের আগমন
মনে রেখো প্রিয়-শীতকাল তোমারে পাওয়ার
যাতনা আর না সহে এ প্রানে
হাজার জোড়া কবিতা লিখেও তোমার দেখা না মিলে
পথের ধারে আজ পথ হারিয়া নিজেকে দেই
মন ভুলানো সান্তনা


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026