সান্তনা নেই তব অভিমান নেই
- আদি আহমাদ সিফাত - ঝরা কথার কাব্য
জগৎ জোড়া বড়ই মধুর হয়
যবে রয়ে যায় নীলের নীলাবতি দু-চোখের গভিরে
কনক্রিটের শহুরে সড়কে হারিয়ে যেতে বড্ড অদ্ভুদ লাগে।
হাতখানা ধরে চলতি পথে পথিকের -নীড়ে পা বাড়ানো সময়কে তুচ্ছ মনে হয়।
ইট বালি পিচ ঢালা পাথুরে সড়কের বিস্তৃতিতে অনুভূতি গুলোকে ধোঁয়াশা মনে হয়।
মনে হয় যেনো এই তো পথ যেথা
মোর ক্লান্ত হবে অবিশ্রান্ত।
ক্লান্তি যেনো অবচেতন মনকে দূরে ঠেলে দেয়
ব্যস্ত নগরির অলিগলি চিরো চেনা লাগে
যখন তুমি হস্তরেখার তীক্ষ্ণতা তোমার করে নাও।
গগনে তব মেঘ ছেয়ে যায় নীলাবতির রৌদ্রস্নাত দূপুরে পথ চলার সঙ্গি হতে।
ধুলো-বালি আর মৃদু হাওয়ায় মিশে যেতে ইচ্ছে করে
বেহাগের সুরে অভিমান গুলো যেনো কোথায় লুকিয়ে পড়ে।
ধূসর আকাশ ছুয়ে যেতে ব্যকুল মন তব সুর তুলে
কবি -কবিতা কি বড় করুন অনুরাগ?
না- কি আধো গলায় বলতে থাকা গানের কলি,
নাকি সুর হারা পক্ষিণীর অতুল সমূদ্র পাড়ি দেবার কোলাহল?
কবি বড্ড অবিমান জমা হয়,
কিন্তু তা কেনো জানি দৃষ্টি সীমা রেখে ছুটে চলে অদুর দূরে।
তুমি অবধি পৌছায় না।।
তেষ্টায় গলাটা শুকিয়ে ভাষা মলিন হয়
ক্ষানিকটা জলের যে অধিক প্রয়োজন
নিবারন মিটবে তো বটে।
মস্তিষ্কে আবেগ ক্ষরিত হয়,
অম্লের প্রতিটা ফোটায় আর নিশ্বাসের অক্সিজেন মিলে
তৈরী হয় আগ্নেয়গিরির উত্তপ্ত আভা।
রক্তের শিরা গুলো যদি কনক্রিটের সাথে মিশে যেতো
তবে বিলিন করে দিতাম নিজের দু-এক অস্তিত্ব আর অনুভূতিকে।
কেনো এতো তীব্রতা এই ছোট্ট পরশ গুলোয়?
তা বুঝতাম
যদি হৃৎপিণ্ডটা ক্ষয়িয়ে নিস্পেশিত করতে পারতঃ তার ধমনি রেখাকে।
তবু সান্তনা শব্দটা বড্ড অপ্রিয়,
সান্তনা নেই তব কনক্রিট মন টার মাঝে কোনো অভিমান ও নেই।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।