সেহরিতে ক্ষেপণাস্ত্র ইফতারে বোমা
- শেখ মাফিজুল ইসলাম
প্রাণের ভয়ে ছাড়ছে বাড়ি ছাড়ছে প্রিয় শহর
গাজাবাসীর ঘুম নেই চোখে কাটছে দু:খের প্রহর।
ছোট্ট ছোট্ট সোনামনির লাশটি বুকে চেপে
ঘনঘন ট্যাঙ্ক-হামলায় উঠছে ওরা কেঁপে।
ছাদের প’রে পায়রা চ’রে সেখানেও বোম পড়ে
ট্যাঙ্ক হামলায় গৃহ-সজ্জা ভিতসহ যে ন’ড়ে।
ঘন্টা খানিক আগেও যাদের মাথায় ছিল ছাদ
ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস সবই জীবনটাই বরবাদ।
ঝলসে গ্যাছে বসত বাড়ি ঝলসে গ্যাছে খামার
মিসাইলের কঠোর আঘাত, রাস্তা এখন তামার।
গাজা শহর নেইতো এখন, অগ্নি-কুণ্ডের বাসা।
ফুল-বাগিচা ধ্বংস সবই, গোলা-বারুদে ঠাসা।
শতশত লাশের মিছিল কাঁধেকাঁধে ছুটছে
পিচ-রাস্তায় রক্তের ঢেউ রক্তগোলাপ ফুটছে।
নারী-শিশুর নিথর দেহ কে-বা কার খোঁজ রাখে
মানবতার একী দৃশ্য! লজ্জায় কে মুখ ঢাকে?
ইসরাইলি সৈন্য দেখে ইঁট-পাটকেল ছুঁড়ে
মনের মধ্যে ক্ষোভ যত সব দিচ্ছে উজাড় ক’রে।
পথের বাঁকে আগুন জ্বেলে গড়ছে প্রতিরোধ
ওদের রক্তে আগুন জ্বালাও নিতে হ’লে প্রতিশোধ।
গত বছর সুবেহ সাদেক রোমজানের শেষ রাতে
সাইরেন শুনে গাজাবাসী সব সেহরি খাওয়ায় মাতে।
আলোয় আলোয় জেগে উঠতো শহর-মফ:স্বল
অসহায় মানুষ ছুটছে এখন পথে রক্তের ঢল।
সেহরিতে আজ ক্ষেপণাস্ত্র ইফতারিতে বোমা
রক্ত-পিশাচ ‘নেতানিয়াহু’ পাচ্ছে তবু ক্ষমা।
অসহায় নারী- শিশুর কান্নায় গাজার বাতাস ভারি
আর কতদিন শুনতে হবে এমন আহাজারি?
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।