বাংলাদেশের রাজনীতি
- আমিনুর রহমান (তপু রায়হান) - মানবতাবাদী
বাংলাদেশের রাজনীতি
আমিনুর রহমান
৪.৬.২০২০
বাংলাদেশের রাজনীতির ভাই কি দেবো আর বর্ণনা
মূর্খরা পায় হাতের তালি,জ্ঞানীদের দেওয়া হয় অসম্মাননা
বোধের অভাব বড্ড এদের,নোংরা মন-মানসিকতা
এদের ঘাড়ে বসছে চেপে বিলুপ্ত জাতির অনৈতিকতা।
সুশিক্ষিতদের অভাব বেশি জ্ঞানপাপীদের রাজত্বে
মীরজাফরের রক্তধারা মিশে আছে এদের অস্তিত্বে
পত্রিকার পাতায় চোখ মেললে গণধর্ষণের জোয়ার
যৌনজ্বরে আক্রান্তদের জন্য বানাতে হবে পশুর খোঁয়াড়।
রাজনীতিক নেতার পেশা সন্ত্রাস পালন মুখে মধু;কথার ছুরি
জনগণের সেবক সেজে করেন বরাদ্দের ত্রাণের চাল-গম চুরি
জনগণের রক্তচোষক এরা;রাজনীতি ব্যবসার হাতিয়ার
কেউ জানেনা এদের দিলো কারা আইন নিয়ে খেলার অধিকার।
নীতিবাক্যে বলে লাভ কি বলো!এরাই মুখোশরুপী জানোয়ার
সুযোগ বুঝে লাফ দেয় এরা;যেদিকে বয় ডেউ জোয়ার
চরিত্রতে বকধার্মিক,খুন করে পড়েন শোকবার্তা আর যানাজা
নির্দোষের হয় ফাঁসির আদেশ,দোষীর হয়না কখনো সাজা।
ভুল ধরাতে ব্যস্ত সবাই;ভুল শুধরানোর কেউ যে নাই
নিজের পরিবর্তন ছাড়া সমাজ পরিবর্তন অসম্ভব প্রায়
নীতির নামে চলছে রে ভাই হরদম দূর্নীতির মহড়া
আমি ছাড়া আর কোন কবি করবে এসব বোঝাপড়া।
ভোটের সময় ভিক্ষা মাগে ওগো চাচি-খালা-আম্মা
হাত পেতেছি আমায় মাগো একটা ভোট ভিক্ষা দেননা!
ক্ষমতাটা পেলে হাতে সব কথা ভুলে যান বেমালুম
দিনশেষে হিসাব করে আজকে কত টাকা কামালুম!
সাদা পোষাক পরে দেখান তারা দরবেশের চালচলন
জনগণের বরাদ্দের টাকা মেরে করেন বহু অবহেলন
নেতা হবার পরে কেউবা করেন বিলাসবহুল গাড়ি-বাড়ি
মঞ্চ-মাহফিলের বক্তৃতায় তাঁদের মতো নেই কারো জুড়ি।
জনগণের টাকাকে রাজনীতিক ভাবেন বাবার সম্পত্তি
এদেশের অপকর্ম নিয়ে কবির আছে অনেক আপত্তি
যখন নেতা গলাবাজিতে বিভোর,তখন টোকায় অনাহারে
কবে মিলবে দারিদ্র মুক্তি!বরাদ্দ থেকে কি লাভ ইশতেহারে!
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।