পদোন্নতির রহস্য
- বেলাল হোসেন খাঁন
মোড়ের মাথায় চায়ের দোকান
সাধারণ মানুষের আড্ডাখানা,
পেট নীতি থেকে রাষ্ট্রের নীতি
কোনো আলোচনা বাদ পড়ে না।
ইদানীং কালে আলোচনা চলে
গরিবুল্লাহর মহা উন্নয়নের,
ফকির শাহের একমাত্র ছেলে
কি চেরাগ পেলো আলাদিনের!
কদিন আগের সাহায্য চাওয়া
হাত পেতে খাদ্য খাওয়া,
আজকের দিনে তার দেখছি যা
গায়ে লাগা দখিনা হাওয়া।
রহিম সাহেব, করিমকে বলে
কেমনে হলো কীভাবে কি?
তিনে ম্যাট্রিক দুইয়ে ইন্টার
কেমনে এতো পদোন্নতি?
কর্ম শুরু অফিসের এম এল এ
ছ'মাসেই আসে বসের নজরে
বছর ঘুরতে সেও অফিসার হয়ে
স্যুট প্যান্টে দামি গাড়ি চড়ে।
চায়ের আড্ডার পাশ ঘেঁষে যায়
মালিকের শান্ত ছেলে খলিক,
প্রথম বিভাগে গ্রাজুয়েশন শেষে
যে এখন গরিবুল্লাহর কলিগ।
রহিম, করিম,জলিলেরা ডেকে
শুধায়লেন বিভাজনের কারণ,
গ্র্যাজুয়েট তুমি মেধাবীও বটে
তবে পাও না কেন পদোন্নয়ন?
লাজুক আননে মিষ্টি হাসি দিয়ে
গরিবুল্লাহর গেলো গীত গেয়ে,
ভাই যে কত পারদর্শী তার প্রমাণ
দিলেন পদোন্নতির সিঁড়ি বেয়ে।
চায়ের কাপের বেকার মস্তিষ্ক
খালি থাকে কি আর পড়ে?
খলিকের জবাবে সন্তুষ্ট নয় তারা
বৈষম্যের প্রকৃত কারণ ধোড়ে।
একটা সময় জানলো সাবাই
গরিবুল্লাহর অলৌকিক ক্ষমতা,
পদ চুম্বনের সাথে তৈল মালিশ
মন জয়ের এ অসীম যোগ্যতা।
২৮শে মার্চ ২০১৮ইং
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।