যেরত
- রাসেল রুশো

এবারও তো হবে ইদ তোমাদের ছাড়া
অথচ আমার কানে বাজছে না নসিহত
কীভাবে কোন পথে গেলে নমাজ হবে পরিপাটি
কোন পায়ে বের হলে ফেরেশতা করবে সালাম
আমার নামতার খাতায় লিখে রেখেছি পুরোনো তালিম
দেখে দেখে পবিত্র দোয়া মুখে ফুটিয়ে দিল করি সাফ
অথচ কোমল কোনো কণ্ঠে ভাসে না 'হেফজ করে নে'।
এবারও জুমা-তুল-বিদা যায়, কী অচেতন মন
জোর গলায় চেঁচিয়ে কেউ দিচ্ছে না ডাক
কবর পাড়ে 'যেরত' করে আয় 'তোর দাদা' ঘুমায়
কেউ বলে দেয় না পশ্চিমমুখী হাত তুলে দাঁড়ানোর নন্দন।
এখন দেখি আরো দুটি মাছের পিঠের মতো সুন্দর বাসর
কোথাকার কোন সূর্যবান বিবি, কোথাকার আফিয়া খাতুন
সেই কতকাল আগে, বিস্মৃত হই, আড়ষ্ট জিহ্বা ধরে না নাম।
ও সাত আসমানের মালিক, পরওয়ার দেগার,
মাফ করো রূপবান বিবির একমাত্র মেয়ে
বেলি ফুলের মতো সাদা ভাতে যার ছিল লোভ
হাঁড়ির উপচে পড়া বাষ্প দেখা যার ছিল সাধ
মাছরাঙা ঠোঁটে যে চাইতো পুঁটি মাছের ঝোল
সাধের জীবনে যে পায়নি পরিমিত লবণগন্ধস্মৃতি
মাফ করো মাফ করো তার পাপের বহর।
ও গাফুরুর রহিম, মহান বিশ্ব বিধাতা,
মাফ করো মাফ করো এই আফিয়া খাতুন
যে রাধাচূড়া নদী একাকিত্বে কাতরায় আজ
তারও ছিল তিন ভাই, সে আদরের বোন
ভাঙনের দিনের বেদনার দিন যে করেছে পার
মৃত্তিকার নরম শরীরে যারা জপেছে তোমার শান
দান করো দান করো আল্লাহ বেহেশত ফেরদৌস।


০১-০৫-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026