সোনালী কুঁজা
- হাসিব মহিউদ্দিন
স্বপ্নিল সভ্যতা আর মাধুর্য মণ্ডিত তানে শ্রীমন্তে জাগিছে আজ গীতি
তেমনি ভুজঙ্গ আজ নাচিছে মুরলি নাদে জিপসি প্রাণের আকুলতা;
সোনালী কুঁজার বুকে বসে আছে সর্প এক ক্ষুব্ধ করে মুরলির প্রীতি
সেখানে যক্ষের ধন আগলে রেখেছে সাপে ফণীমনসার বিষে তথা।
স্বপ্নিল করুকার্যের অঙ্কিত রেখাটি আঁকা কুঁজার কোলেতে দেখি সূক্ষ্ম;
প্রাণের মমতা ফের করেছি কুঁজাটি পেতে জলাঞ্জলি কুঁজা হলো মুখ্য।।
আমার জিপসি প্রাণ জ্যোৎস্নার রূপ দেখে হিরণ আভাটি চেখে উঠে
মুক্তির আনন্দ যেন আসিছে নিজের প্রাণে বুভুক্ষের আহারটি লাগে;
কুঁজা পেলে পাবো সব শোধিব প্রাণের ধার সে উমেদ অধুনা যে ফোটে
তখনি দেখেছি আমি জাগিয়া উঠেছে সাপ হলাহল সাথে বুঝি জাগে।
খঞ্জর রয়েছে হাতে পিঞ্জরের প্রগলভ বেড়ে গেলো ভেবে সবি দুঃখ;
পেতে হবে কুঁজা ধন করেছি অধুনা পণ বৈভব আমার হলো মুখ্য।।
তখনি দেখেছি আমি সর্প চলে দ্রুত বেগে পারিনা করিতে তারে তাক
ভুজঙ্গের গতিরোধে জাগিছে আমার বোধে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফেরা দায়;
তখনি অরণ্য কোলে সভ্যতার মেকী দাবি দিয়ে গেলো বিহঙ্গেরা হাঁক
অকস্মাৎ তীব্র বেগে আসিছে ফণীমনসা আমাকে আঘাত করে যায়।
অথচ আমার চোখে পৃথিবীর সে আলোকে কুঁজা ম্লান হয়ে আসে রুক্ষ;
প্রাণের মায়ার চেয়ে অধিক কি আর আছে ভাবি আমি প্রাণ হলো মুখ্য।।
০৩-০৫-২০২৬
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।