ছায়াছায়া নকশা
- আশরাফুন নাহার

সবাই নির্ঘুম রাতকে ঘেঁটে সেখানে এঁটে দেয়
কিছু নীলচে দাগের শুকনো চিহ্ন,
আমি সে দলে নেই তো।

আমি সন্ধারাতের হাতের তালুতে
রেখার অলিগলি ধরে ছুটতে থাকি হন্যে হয়ে,
দেখি ছায়াছায়া আলোভীরু নকশা
শেওলা ছাই অরন্য-গিরির কাছাকাছি গিয়ে,

ভোর হওয়ার আগে শুকতারাকে জানিয়ে দিই
আমার মধ্যরাতের স্বপ্নটা
আর সুকৌশলে জেনে নিই
তার অর্থটা ছিল ভিন্ন।

স্বেচ্ছাসেবিকা জোছনার বাতায়নে
ভারী জানালার বন্ধ কপাট বারংবার খুলে
রজনীরাণি সুগন্ধার পদকূলে,

আমি দেখি তার শোভা ফুরিয়েছে।
তারা রাতছুটিতে এসে জুটিতে ফিরে গেছে

নাকের ডগায় রজনীসুগন্ধা পরাগ লেপ্টে
"মধু কই মধূ কই" বলে চেঁচানো মধুকর,
আমি তার সাক্ষী হতে চাই নি
তাই ঘূমিয়েছি রাতভর।

আসমানে কত চিঠি দেখলাম
কত প্রেমিকের কত কবির কত বিরহীর,

সেখানে খুঁজি না- আমার চিঠি এল কিনা?
একবার ভাবতে যাই না আমি-
আমারও রাত্রিডালা আছে নিশাপতি বিনা।

কতক নৈশভোজে উদরপূর্তি
উঁচু টিলায় নাকডাকা অসহ্যরাত
আর তার সাথে ব্যাঙাব্যাঙির গলাফাটা ঐকতান,
এসব আর ঝামেলা মনে হয়নি
দিব্যি ঘুমিয়েছি একটান।

কারন একমাত্র সেখানে দেখি ছায়া
আর ছায়া মাঝে নকশা সুপরিচিত,
ভোর হওয়ার আগেই মিলিয়ে নিই তা,
আমার সেই ছায়াছায়া নকশার পঞ্চসীমা পরিলিখিত।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026