পরবাসী জীবন
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

পরবাসী জীবন পরাধীন জীবন ... এ জীবন মানা দায়
স্বাধীনতা বলে কিছু নাহি পাই , সুখেতে দেয়না সায় ।
যখনই দেখে মহাজন বাবু দূর দূর করি দেয় গো তাড়ি
দু'হাতে মুছি সজল আঁখি কাঁদিয়া ফিরিয়া আসি বাড়ী ।
পরদিন যবে সময় হলে ফের দাঁড়াই গিয়ে মহাজন মুখে
আমারে হেরি যম ভাবিয়া মরিতে বসে যেন ধুঁকে ধুঁকে ।
সারাদিন খাটি দেহ করে মাটি তব যে পাইনা তার মন
এতো কাছাকাছি থাকি আমি তাহার তবু হইনা আপন ।
একদিন যবে মহাজন বাবু হইলো কাবু বড় অসুখে ...
সারাদিন ধরি ঢালিনু পানি মাথায় তাহার লয়ে যে বুকে ।
আমার এ দেখি মহাজন বাবু বলিতে লাগিলো কাঁদস্বরে
ওরে ভৃত্য ক্ষমা চাহি আজি দুঃখ যত দিয়াছি তোরে ।
কহিনু হাসি ওহে বাবুজি কিসে তুমি পড়েছ ভাঙি
ব্যাধি হইতে সাড়িয়া ওঠ তোমার আরোগ্য আমি মাঙ্গি ।
মহাজন কাঁদি আমারে কহে তুই যে মোর এতো আপন
আজি বুঝিলাম অস্তবেলায়, আছি আর বা কতক্ষন ।
দিবা শেষ হলে ঘনিয়া আসিলো আঁধার রাত্রি তড়ি ...
গিন্নী তাহার আসিয়া হেরি উঠিয়া লইলো গাড়ি করি ।
ভোর বেলা শুনি বাবুজি আমার ত্যাগ করেছে শেষ নিঃশ্বাস
গিন্নী তাহার আমারে ডাকি হাতে দিলো চাবি করি বিশ্বাস ।
সেই থেকে আজও ভৃত্য হয়ে করি আমি মহাজন গিরি
পরজীবন তরে অন্নের খোঁজে ঘুরি মম দুনিয়ার বক্ষ চিরি ।
মানব ভৃত্য বিধাতা ভৃত্য আমি এই ছোট্ট মানব ওরে ...
মরি ধুঁকে ধুঁকে জীবনের তরে জীবনটা সাঙ্গ করে ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026