অতিশয় বাক্যালাপ
- সীমান্ত মুরাদ

কিছু সত্য বলা কি অতিশয় পাপ ,
জানুক সমাজ !
করে নিও একটুকু পরিতাপ ৷

মহাশূন্য দেখেছ কি ?

ওটা ঈশ্বরের ছাতা ৷
এর উপর বর্ষে নাস্তিকতার হাস্যকর যুক্তি ৷

আর ঐ খালি গায়ে থাকা গৌতমটা !
বলে কিনা মুক্তি চাই ৷

কঠিন চিবরদান দেখেছ ?
ওরা মুক্তি খুঁজে ৷
ওরা মুক্তি পায় না ৷

কেউ শূকর খেয়ে মুক্তি খোঁজে
কেউবা কুকুর ৷

কেউবা গরু ৷
কেউবা কচ্ছপ ৷

সর্বভূক প্রানীরা
মুক্তি খোজে ৷
কিন্তু চুক্তি কোথায় ?

ঈশ্বর এসেছিলেন
আমার দ্বারে ৷
তাকে দেখতে পাইনি ৷
তার কন্ঠে সত্যের বাণী শুনেছি ৷

সেটা কি ছিল ?

কুরান , গীতা , বাইবেল কিংবা
রামকীর্তন ৷

স্মরণ নেই আমার ৷

দেবদূতের ধনাত্বক দূত্যি আমার পাজরের নক্ষত্র টেনে নিল ৷

আমি মুক্তির ঝংকার
পেয়ে নিজেকে অবতার বলিনি ৷

নবি দাবী করিনি ৷

মুক্তির দূতও বলিনি ৷

পীর মাসায়েখ কি এই শ্রেণির ?

কিংবা কাশীর ঐ বাবাটা !

কে জানে ?

কতরাতে হুতুম পেঁচারা আমার সাথে
কথা বলতে এসেছিল ৷
সে সব ছিল কথার কথা ৷

ওদের পূর্বপুরুষরা নাকি
মহাভারত দেখেছে ?
দশানন বধ দেখেছে ?
কারবালাও দেখেছে !
ধর্মের কান্নায় চোখ দুটো ফুলে ফেপে বড় করেছে ৷

আমি আজও কথা বলি হুতুম পেঁচার সাথে ৷

ও আর আসবে না ৷

সে এখন লক্ষীর বাহন ৷

এখনও কি ওরা রাতে কাঁদে ধর্মের কাঁদন ?

সত্যের কাঁদন ?

তা: ২০ ডিসেম্বর , ২০১৪ খ্রীঃ


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।