জ্যোৎস্না
- আরিফুল হক দ্বীপ
বহুবার চেয়েছি জানতে তোমার কাছে
কে?কে?মাধবী বলো-
আমার ওষ্ঠ ছাড়া আর কার ওষ্ঠ তোমায় ছুঁয়েছে
তোমার বিউটি বোন,হিরণ্য বদন গ্রীবা
প্রতি চন্দ্রিমা রাতে কার বিচরণ,
ঘুমের ঘোরে যবে,লুটায় আঁচল শাড়ি মাটিতে,
তোমার ঘুমন্ত শরীরে অবাধ্য মেলামেশা
জাগিয়ে তুলে রোমাঞ্চে হাত,নূপুর বেষ্টনীর কোমল
পাযুগল,তুমি তেতে ওঠো না,নিষিদ্ধ চুম্বনে তার
চোখ রাঙ্গিয়ে ওঠো না,যেমন করে আমাকে করো আহত
দাঁতের বিষে,ছেড়ে দিতে হয় অথবা গম্ভীর অভিমানী
রুপ
তোমার,অথচ তার অনুরাগে তুমি সদা হাস্যময়ী,
শিহরণ অনুভবে।
বহুদিন জানতে চেয়েছি তোমার কাছে কে?কে?মাধবী
বলো-তুমি টললে না যেন কিছুতেই দু চোখ ভিজে
প্রতিরাতে বালিশে,তোমাকে বুঝতে দেইনি কষ্ট
মাধবী,
পুড়ছে নিত্য বুক কি নিদারুণ ব্যথায়।
তোমাকে বলতে পারি না শাসনের স্বরে,
অথবা প্রেমিকের অধিকারে
তোমাকে হারাবার হয়যে ভয়,অনেক অভিমানের ভেতর
থেকে সেদিন ফিরে পেয়েছি তোমায় আবার,
তাই তুমি যাই করো,মন্দ চলো অসহায় ভঙ্গিতেই দু চোখ
আমার মেনে নেয় শত কষ্ট নীরবে।
তুমি নষ্ট সেজে এলেও তখন আমি বলে যাবো তবুও
তোমাকে ভালোবাসি।
শয্যাশায়ী তারপর কিছুদিন বিছানাতে,
অবুঝের মতো বিষে নিয়েছিলাম শেষ ঠিকানা,
তোমার অশ্রুধারা নিমিষেই যেন অসুস্থতা
দিয়ে দিলো ছুটি,এ অশ্রুযে ভালোবাসার
তোমারও কাঁদে মন আমার মতন,
দুহাতে মুছে দেই জল,তুমি আলিঙ্গনে নিলে বাহুতে
বললে,এভাবে চলে যেতে চাও আমাকে ছেড়ে?'
'তবে আজো বললে না যে তার কথা
চন্দ্রিমা রাতে মিশে যাও কার আদরে?'
তোমার ওই হাসিতে অশ্রুও দেখি,
নোখ বসিয়ে পিঠে বললে,ওরে পাগল
বড্ড বোকা তুমি না হলে এমন ধাঁধাঁ
বুঝতে পারো নি সহজেই বুকের মধ্যে গভীরে রেখে আজ
করেছো এত্তোখানি বড়,
প্রতি চন্দ্রিমায় যেও আমার শোবার ঘরে জানালায়
দেখো তারে হেসে পড়ে আমার শরীর জুড়ে 'জ্যোৎস্নার'
নাম তুমি শুনো নি বুঝি কোনদিন।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।