বিপথগামী
- আরিফুল হক দ্বীপ
সংসারে কেউ নেই তারে এখন পুষে,
বৃদ্ধ পিতা পারে না আর
ক্ষেতের সবজি-শিম লাউ বেচে
মেয়েকে পড়ায় সেরা কোন বিদ্যাপীঠে।
মেয়েটিও ছিলো সোনার মেয়ে
টিউশনি করে খরচ যোগাতো পড়াশোনার।
দিন যায়,বাড়ে খরচ
দানাপানি নাই পেটে
হঠাৎ কুসঙে উঠলো মেতে
তারা তাকে খাওয়ায়,বই কেনার পয়সা দেয়
মাঝেমধ্যে করায় নেশা।
আর কিছুদিন গেলে দেখিয়ে দেয় পথ,
কিভাবে করবে তালাশ ভাতের,
পড়াশোনা খরচের,একটুখানি নেশা হুইস্কি,সিগারেটের।
তাই সে এখন প্রতিরাতে
নতুন মানুষ ডাকে ইশারাতে।
অর্থের বিনিময়ে বেচে শরীর।
মেয়েটির এখন ভালোই চলে,
অভাব নেই ছোটখাটো,ভাত কিংবা বেতন হল চার্জ।
বাবা মাকেও টাকা পাঠায়
ওষুধ,ফলমূলের বলে চাকরি করে শহরে।
অভাব।
নেই কোন অভাব আজ,
শুধু ঘুমোবার আগে মনে হয় তার-
এই অভাবের কাছে নুয়ে মাথা
বিপন্ন হলো তার জীবন
সে আজ নয় কুসুম,পবিত্র কোন মানবী।
হারিয়ে ফেলেছে সেই সুগন্ধ দেহের
বিপথগামী একজন নারী।।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।