ঋণ পরিশোধ
- আরিফুল হক দ্বীপ

পার্শ্ববর্তী মধুমালাকে কিছু টাকা ধার দিলে
খুশি হয়ে বললো সেদিন,
বাঁচালে বড়,সুন্দর মুখের মতো সুন্দর মন।
শোধ করে দেবো দেখো,
রাখবো না খুব বেশীদিন দেনা।
তারপর দিন গেলো,মাস গেলো,
মধুমালা অলখে তাহার।
ছেলের হাতে চাল কুমড়ো পাঠালো,
ঢেঁঢ়স,গাঁজর শিম পাঠালো,
কখনোবা ডালের বড়া,ধানের খৈ
দুধপুলি আর ক্ষির পাঠালো।
কতকিছুইতো খেলো,মাগার ট্যকা নেহি পায়।
কতো পাঠালো খবর,সুদ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুন,
শেষে হুমকি দেয়া হলো,টাকা না পেলে
চোখের মনিরে তার আনবে তুলে
লাশ বানিয়ে তারে ভাসাবে নদীর জলে।
শিউরে ওঠে মধুমালা
কি করবে মেয়ে ভেবে না পাই।
স্বামীর শরীরে পচন ধরেছে,
যে খাটতো রোজ,মৃত্যু দুয়ার সম্মুখে তার।
অবলা একেলা কি করবে এখন?

হঠাৎ একদিন এলো মধুমালা,
বাইরে হাওয়ার রাত,বৃষ্টির ভয়ার্ত দাপট।
ছেলেকে ওরা তুলে নিয়ে এসেছে
জননী এলো নিয়ে যেতে ঋণ পরিশোধে।
চক্ষু বিস্ময় করে তাকালো মশাই-
নারীর খালি দুই হাত।
'টাকা এনেছো?'
'না মশাই।'
'তবে?'
'আপনার শরাব।'
মধুমালা রাঙা অধর নাড়ায়,
বোতাম খুলে বুকের এগিয়ে আসে ধীরে,
শাড়ির ভাঁজ খুললো
পেটিকোটের ফিতা খুললো
তারপর মদের পেয়ালা হলো-
হেসে হেসে কয়গো নারী ধরো ধরো
এই পেলেগো মশাই,আর কি চাই?'


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026