সিঙ্গেল খাটের গদ্য
- দন্তস্য সিফাত

উত্তরমুখী জানালা আমার কখন ও ছিল না, মৃদু/লিলুয়া বাতাসের পার্থক্য আমি বুঝি না, আমি চিনি শুধু দমকা হাওয়া, বৈশাখ কিংবা অ-বৈশাখের ধূলা বা টিনের চাল উড়ানো হাওয়া।। মধ্যবিত্তের পেষণে ও অবিলাসি প্যাশনে কোনদিনও ঠিক সূর্যোদয় দেখা হয়ে উঠলো না । তারপরও মেঘেরা আমার ডাক শোনে, এক পা দুই পা করে পূর্বদিকের গ্রিল দখল করে, দৃষ্টিসীমার সবটুকু আকাশ আমার নামে লিখে দেয়।
চিনির গুঁড়ার মত বৃষ্টি এসে আমার বালিশ খানিকটা ভিজিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
ততক্ষণে সব মুয়াজ্জিন 'আসসালাতু খাইরুন মিনান্নায়ুম' বলতে না বলতেই এই পাপীর চোখে ঘুমেরা ব্যারিকেড দিয়ে রাখে । পাড়ার কুকুরেরা ঝিমিয়ে পড়লে কাক এসে তার রাজত্ব দখল করে।
কাদার রাস্তায় সাবধানে কয়েক মুসল্লি মসজিদের দিকে এগোয়।
কুকুর, কাক আর মেঘের পলায়নের মাঝের গ্রিলের ফাঁকেই যেন ঘুম আটকে থাকে। আর আমি সারারাত ধরে হিসেব করি, কিভাবে এত জলদি আকাশ তার রঙ বদলায়, কুকুর তার গলি ছেড়ে পালায়, মেঘেরা উহ্য হয়ে যায় !!
আমি আর আমার আত্মা গ্রিলের ফাঁক গলে কখনো আকাশমুখী হতে পারে না, কোন যেন তীব্র বলে আমি আটকে থাকি আমার সিঙ্গেল বক্স খাটে সেই পূর্বমুখী জানালার পাশটায় !!!


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026