নরকের নাগর
- আজাদ বঙ্গবাসী

সমুদ্রের উপমাকে বলতে চেয়েছিলাম, লজ্জাবতি আঁক
জৌলুস ভরে যাবে কবুলের কলরবে
নীল তরঙ্গের সাঁতারে খৈয়ের মত ফোটবে বাসনার সবফুল
রাত ও দিনের কপাট খুলে নাচবে মুগ্ধ তারারা ব্যকুল 

ওই দিকে না,  আকাশের উপমা, এই করবদ্ধ নিয়মের কাছে 

এই সসীম প্রেমের অসীম পুলকের কাছে একবার স্থির করো
তোমার তুমিকে।

উপমা! আজ একটি নখরকে তোমার করতে হবে পৌরুষ দান।

পথে পথে আঁকা অজস্র হাবিয়ার হাসি ফেলে, এখানে ওখানে
ঘরহীন ঘর ফেলে, শীত ও গ্রীষ্মের কাছে ফিরতে হবে এক পাড়ি
উৎসব হয়ে। 
ঢাক ঢোল পিটিয়ে না হোক, বাসর সুখের অন্ন 
আত্মীয় স্বজনে বিলিয়ে  নরকের নাগর কিলিয়ে 
স্থায়ী ভালোবাসায় দেখাতে হবে তোমার জমানো পেখান।

সংসারে উপমা! তোমাকে ফিরতে হবে কুলায় উডানো ধানের মত  
সচ্চ ও চকচকা হয়ে, একটি বৈরাগ্য পুরুষের শাসন কর্তা হয়ে
পাটির বুকে কপাল ঠেকানো আত্মসমর্পিতা মত পরিশুদ্ধা হয়ে
মানুষের সংসারে।
যে পরিতৃপ্তি এতোদিন তুমি খুঁজে ফিরছ বিশ্বসংসার তন্ন তন্ন করে
তারই সুখ সরাবের উপাদেয় হয়ে ফিরতে হবে তোমাকে আজ।

পৃথিবীর উপমা! তুমি একজন নারী হয়ে ফিরে এসো এই হৃদয়ে, 
তৃষ্ণিতের এ তন্দ্রালয়ে।   


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।