চেতনার বীজ, অঙ্কুরিত চারা
- রফিকুল ইসলাম রফিক

চেতনার বীজ, অঙ্কুরিত চারা
...................রফিকুল ইসলাম রফিক

ছোট্ট খোকার প্রশ্ন মনে, বড় মিয়া --বড় হয়েই থাকে
অধীন সব ছোট্টদেরে, ক্যামন জানি --ছোট্ট করেই রাখে
সারাজীবন তবুও সে, পুলক মনে-- স্বর্গ সুখেই থাকে।

তাই কখনো হয় সোনারে, এই জীবনে --তাই কখনো হয়
কেউ কখনো চিরদিনই অমর হয়ে রয়?
বেকুব ঐ অত্যাচারীর মনে তবু অাসে নারে বোধ
ক্রিয়ার অাছে প্রতিক্রিয়া শোধের প্রতিশোধ
রাতের শেষে সকাল হয়-- ওঠে সোনারোদ।
জুলুম অার অত্যাচারীর দিকে তুই, দ্যাখ না চেয়ে দ্যাখ
সময়মতো খেয়েছে সে, অাচ্ছামতো উল্টো পোড়া স্যাক।

বন্ধ ছিলো মুক্তগতি, চলাফেরা --ভূখণ্ডটা লীজ
এই বাঙালীর রক্তকণায়, তবুও ছিলো --স্বাধীকারের বীজক
তাই তো তার ভাঙতে হবে, বন্ধ দুয়ার-- খুলতে হবে তালা
ঠিকই তাই প্রমাণ হলো, পরলো জাতি-- স্বাধীকারের মালা।
একুশ তার প্রথম ধাপ, প্রতিবাদের অঙ্কুরিত চারা
জীবন দিয়ে রাখলো ধরে, মায়ের ভাষা --জাতির গতিধারা।
স্বৈরশাসক জুলুম করে, এই জাতিরে --বাধতে পারে নাই
অত্যাচারে জর্জরিত, এই বাঙালী --তবু হারে নাই।
ঊনসত্তর অার একাত্তুরে তাই দেখেছে বিশ্ব
অত্যাচারীর নির্দয় হাত কী করে হয় নিঃস্ব।

তাই কখনো হয় সোনারে এই জীবনে তাই কখনো হয়
কেউ কখনো চিরদিনই অমর হহয়ে রয়?
বেকুব ঐ অত্যাচারীর মনে তবু অাসে নারে বোধ
ক্রিয়ার অাছে প্রতিক্রিয়া শোধের প্রতিশোধ
রাতের শেষে সকাল হয় ওঠে সোনারোদ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।