বর্ষণমুখর বরষার দিনে
- রুহুল আমীন রৌদ্র

বরষার দিনে, গগণটা জুড়ে কালোমেঘের লুকোচুরি
গম্ভীর রূপ নিরব নিস্তব্ধতা,
যেন ধরিত্রীকে স্মান করাতে নেমে আসবে,
পুরো গগণটা।
দিবসের প্রভাটুকু ক্ষীণ হল,
ঘন তিমিরের আবছা আলোয় নিঝুম অবনী।
খুলে গেছে দখিন বাতায়ন,
হিম হিম পরশ বয়, উষ্ণ হৃদপ্রান্তে,
গগণ কার্নিশ বেয়ে, নরমে এলো প্রশান্তির প্রস্রবণ,
ঘরে আর বসছে না মন।
ঝংধরা পুরানো সেই স্মৃতিগুলো করে বিদ্রোহী অনশন,
মনেপড়ে সেই হারানো ছেলেবেলার কথা।
মনেপড়ে, শ্রাবণের এমন দিনে,
ভেজা শেঁয়ালের মত থৈ থৈ করে ভিজতাম বলে,
মা মোরে আটকে রাখতো , বদ্ধ ঘরে কপাট মেরে !
তবুও দুরন্ত মন, উঁইপোকায় ধরা জানালার গ্রিল ভেঙে,
পালিয়ে বৃষ্টিতে ভিজতো.......।
আজো সেই ভাঙা জানালার গ্রিল ধরে বসে আছি,
সেই আগের মতো আর ভিজতে চায় না মন।
যেন বৃষ্টির জল এখন, বড্ড বিষাক্ত,
নিয়তির উষ্ণ পরশ বড় বাঁধা।
তবুও উড়ু মন, ছুটে যায় ভিজতে,
কভু আগের মত নয়।
সময় এখন বড্ড হিংস্রতর,দুর্গম কণ্টময় সেই পথ,
অতঃপর বরষা এখন আমার চোখে, ধূসর কু্জ্ঝটিকা।
---------


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।