বোতলের চিঠি
- দন্তস্য সিফাত
ছেলেটা আজ আকাশ দেখতে ভয় পায়, বিশালতা কে ধারন করতে গেলে দুর্বল আশায় টান পড়ে !
মেয়েটাও আর দাড়ায় না আয়নার সামনে, কল্পনায় ছেলের হাত ধরে চোখের কাজল দেখায় না। বারান্দার গ্রিলে কুয়াশার কনা জমে, ভালবাসার উষ্ণতা জমে ছোট এক বিন্দুতে গিয়ে থামে। ধারালো সে বিন্দু।
কপালে দুশ্চিন্তা ঢেউ তোলে, চোখের উঠোনে অন্ধকার সন্ধ্যা এসে গিলে খায় কন্যা সুন্দর আলোর সুবটুকু !
বিপ্রতীপ কোনের সম্পর্ক ৩৬০ ডিগ্রিতে বেঁকে গেলে অসীমতা তাদের মিলনকে অসম্ভব করে তুলে।
ইচ্ছে গুলো অনির্দিস্ট কালের অবরোধ দিলে তাকে নিয়ে দেখা স্বপ্ন গুলো আর পথ খুঁজে পায় না।
কানা গলিতে আটকা পড়ে থাকে প্রিয় সেই বিড়াল। আর ছোট্ট খুকি বিড়ালের জন্যে তার জমানো মাছের কাটা গুলো ফেলে দিতে ভয় পায়।
অঋণাত্মক অসুখ গুলো নিজেদের ডালপালা ছড়িয়ে দেয় মেয়েটির বারান্দা থেকে ছেলেটির বালিশ পর্যন্ত; বিড়ালের কানা গলি থেকে ছোট্ট খুকির হাতের চুড়ি পর্যন্ত !
মঙ্গল গ্রহে ধুলোর ঝড় উঠে আর সে বিষণ্ণতার ধূসর আলোয় পৃথিবী ছেয়ে যায়।
এক জোড়া কপোত কপোতী, সেই খুকি আর বিড়াল এর হৃদয়ে ঝড় উঠলে চোখ দিয়ে নোনা দুঃখ সেই ঝড় থামানোর চেষ্টা চালায় !
হোক না ব্যর্থ চেষ্টা, দুর্ভাগ্যের কাছে নত হবার চেয়ে, আশা নিয়ে বসে থাকলে ক্ষতি কি ?
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।