গাঁয়ের মানুষ সবাই আপন
- লক্ষ্মণ ভাণ্ডারী - আমার কবিতা

রাখালিয়া সুরে গাঁয়ের পথে
রাখাল বাজায় বাঁশি,
গাঁয়ের মাটি আমার পূণ্যতীর্থ
আমি গাঁকে ভালবাসি।

গাঁয়ের মাটিতে লাঙল চালায়
এ গাঁয়ের চাষী ভাই,
মাটিতে ফলায় সোনার ফসল
তুলনা যে তার নাই।

গাঁয়ের গোয়ালা সকাল বেলায়
গাভী দোয় গোয়ালঘরে,
দুটাকায় এক পোয়া খাঁটি দুধ
ঘরে ঘরে বিক্রি করে।

গাঁয়ের কুমোর মাটি দিয়ে গড়ে
মাটির কলসি ও হাঁড়ি,
গাঁয়ের তাঁতি তাঁত চালায় রোজ
বোনে ধূতি আর শাড়ি।

গাঁয়ের কামার কামার শালায়
হাতুড়ি চালায় দিনরাতে,
রাজমিস্ত্রি কুর্নিস হাতে নিয়ে
সিমেন্ট দিয়ে ইঁট গাঁথে ।

রোজ সকালে দিঘির জলে
আমার গাঁয়ের যত জেলে,
রুই কাতলা আর পোনামাছ ধরে
দিঘিতে রোজ জাল ফেলে।

গাঁয়ের মালি ফুল তোলে রোজ
রোজ গাঁথে ফুলের মালা,
গাঁয়ের মাঝি নৌকা চালায়
ঘরে ফেরে সাঁঝের বেলা।

গাঁয়ের মাটি আমার পূণ্যভূমি
আমি মাটির সুরে গান গাই।
এ গাঁয়ের মানুষ সবাই আপন
হেথা মিলেমিশে থাকি সবাই,


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।