এ যুগের আমি হুজুগি বলাকা
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
এই ছোকরা দেখিসনা চোখ মেলে স্বরাজ আসেন পথ বেয়ে ,
মরতে পারিস না সম্মানহীনা বুঝিস না সম্মান, লাথি পেয়ে ?
স্বরাজ আসিছে আমাদেরই গাঁয়ে ,
ভিখ মাঙ্গিব যে ধরি হাতে পায়ে ...;
তাই তাজা শরীরটা লেতিয়ে ফেলেছি দুইদিন আমি না খেয়ে ,
দুই দিনের আমি উশুল তুলিবো স্বরাজের মঞ্চে ভিখ চেয়ে ।
কোলের শিশুটাকে দেয়না অন্ন স্বরাজের আগমন বার্তা শুনে ,
প্রতিটা প্রহর কাটে তার অনাহারে প্রতীক্ষার প্রহর গুনে ।
শিশু তার অর্ধ-পাগল প্রায় থাকি অনাহারে ,
পেটের জ্বালায় সদাই সে আঁচল নাহি ছাড়ে ।
তবু সে মায়ের গালি খায় পোড়ামুখী অপয়া কুলখাকী শুনে ,
মায়ের পিটুনি খেয়ে অনাহারী শিশুটা মিশে রয় তাজা খুনে ।
একদল চাটুকার পতাকা উড়ায় বাঁধিছে কঞ্চি ছিলা বাঁশে ,
পতাকা উড়িছে খোলা গগণতলে ঝিরিঝিরি পশ্চিমা বাতাসে ।
মুখে মুখে তার চাটুকারের বাণী
গোপনে রহিছে দেশপ্রেম হাতছানি...,
চাটুকার হয়েই যুগ যুগ ধরে দেশটাকে করলো শেষ বিষশ্বাসে,
নন-কোর যারা ভিক্ষুক সেজে থাকলো আজীবন ভুয়া বিশ্বাসে ।
স্বার্থের টানে প্রহরী গুলো চলিছে নির্লজ্জে স্বরাজের পিছু ,
ঘাড় মাথা সব থাকলেও উঁচু সম্মানটা রাখিছে পায়ের নিচু ।
ধিক্কার দিবার ভাষা কার আছে ?
ঘরেতে হারিচাচা যদি হাঁড়ি চাঁচে ...;
দেশের সম্মান রসাতলে গেলে তার কি যায় আসে কিছু ?
দিনে দিনে তায় দেশের ভাবমূর্তি বিশ্বের কাছে হচ্ছে নিচু ।
কি যে লেখি হায় পাগলের প্রলাপ মাথা মুণ্ডু পুরাই গেছে ,
আমপারা পড়া সব হাম-বড়া'র পিছে ঘুরে ঘুরে নেচে নেচে ।
পারিনা আমি বড় সড় লেখা ,
এ যুগের আমি হুজুগী বলাকা ...;
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বৈরাগী জীবন নিবো বেছে ,
বাসন্ত বসনে কাটবে জীবন , মাঙার চাল সেঁচে সেঁচে ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।