আমি যখন ভুক্তভোগী
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

হৃদযন্ত্রের দীর্ঘশ্বাস'টা সহসা'ই যায় যে বেড়ে ,
জীবনের সাথে লড়েও পারছিনা উঠতে পেরে ।
অচিরেই বুঝি বন্ধ হয়ে যাবে যকৃতের কার্যক্রম ,
তেমনই আবভাব দেখি , দৃশ্যমান যা উপক্রম ।
সহসায় ছেড়ে দেই বাঁচার আশা লুণ্ঠিত যে সব ,
জীবনের সব হারা মরা পাতার ন্যায় ঝরা অবয়ব ।
কোন সময় নেই , নেই কোন অবকাশ টিকা'র ,
নেই কোন মিনতি কোন দান প্রতিদানের অধিকার ।

যাদের প্রেতাত্মা বহুরূপে রূপান্তর হতে পারে ,
আজ এই ধরা বেঁচে থাকার আহ্বান করে তারে ।
যে একনিষ্ঠ সততার গুণে গুণান্বিত সোচ্চার ,
পদে পদে সবখানে খেতে হয় তাকে আছাড় ।
মান সম্মান সব খুইয়ে শূন্যতায় দণ্ডায়মান থাকে ,
পলকে পলকে নয়ন দুটিতে সে ভীমরতি দেখে ।
বাঁচা আর মরে যাওয়ার থাকেনা কোন তফাৎ ,
পৃথিবী'টা হয় যেন তার অকালমৃত্যুর এক ফাঁদ ।
আমি তার অবাঞ্চিত এক যোগী ,
আমি তার অবাঞ্চিত এক ভুক্তভোগী ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026