অস্তিত্ব যখন বিলীন
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
প্রহর গুনি আলো হেরিবার পক্ষ যায় এক'দু তিন চত্বার ,
কিবা হেরিবো আলোর ছটা , অস্তিত্ব হেরিনা আপন সত্ত্বার ।
সুষম বায়ু দূরে নিছে ঠায় , বঙ্গ এখন নির্বাতে নির্বাসন ,
সারাটা দিন বোমাবাজিতে দুর্বৃত্তরা করিছে আঁধার নিষ্পাদন ।
পথ প্রান্তরে লোকালয়ে ওরা মায়ের ইজ্জতে দেয় যে হানা ,
ওরা প্রাণহন্তা ওরা ইজ্জতহন্তা সকলি রহিলো আজ জানা ।
মরি মরি কালো শর্বরী উদ্বেগে মরি হেরিয়া ওদের বিবেকে ,
গভীর রজনীতে গণহত্যা করি ধুয়ে দেয় স্থান জলের নিষেকে ।
আজ বঙ্গমাতা প্রসীদা বিহনে কেঁদে ফিরে আশা'টা পূর্ণ টুটে ,
মানবতা , মূল্যবোধ, গণতন্ত্র রোনাজারি করে মৃত্তিকায় লুটে ।
মুখে বলিলে গ্রীবা কেটে নেয় , লিখিতে গেলে রাখে বক্ররেখায় ,
কাব্য লিখিতে কাব্যের তরে আলাদা কাব্যিক ব্যাকরণ শেখায় ।
আমি প্রোথিত হয়ে আপন সত্ত্বাকে বনবাসে দিলেম নির্বাসন ,
নিরুপায় আমি শোষণের রোষানলে হিতেরে করেছি নির্বাপণ ।
সহোদর ভ্রাতার লাল শোণিত বৃথায় করিছে দান বঙ্গ আঁচলে ,
হায়েনারা আজ ক্ষমতার জোরে রাখিছে বীরচূড়ামণি স্ব'দখলে ।
বীর প্রসবিনীর নয়নজলেতে বঙ্গের মৃত্তিকা থাকে স্যাঁতসেঁতে ,
বীরজায়া বিধবা বেশে অনাহারী রহে পায়না একমুঠো অন্ন খেতে ।
শকুন শিয়ালেরা আজ বীরভোগ্যা , ক্ষমতার জোরে প্রাণেশ্বর ,
ক্ষোভ আর অতীব দুঃখে অনায়াসে ভাসে আজ এই ধড় অধর ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।