আমি করলে শালা আর কৃষ্ণ করলে লীলাখেলা
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
ঠাকুরানী কহেন ... ললি ... থাকিস কেন রে দূরে তফাতে ?
ঢেকেছিস কেন রে লাজুকে বদনখানা রাঙা দু'খানি হাতে ?
ললি কহে ... শুনেছ ঠাকুরানী ... ওই কেওটা গাছে ... নদী
ঠাকুরানী কহেন নদী ? এই হয়েছে কি রে ললি বলনা জলদী ।
আমার না খুব লজ্জা করছে ঠাকুরানী ... কহিলো ললি ,
ঠাকুরানী কহেন বুঝেছি রে ললি , অপয়া দিয়েছে জলাঞ্জলি ।
কৃষ্ণ গুরু পড়াতে আসে ঠাকুরানীর ঘরে , ঠাকুরের মেয়ে ,
গুরু শিস্যের পরিণয় ঘটেছে ঠাকুরের এক নিভৃত ঘর পেয়ে ।
সময়ে অসময়ে পাঠদান চলে ... ঠাকুরের নিঝুম ঘরে ,
কিসের পাঠদান ? নিভৃতে তারা বুক বুকেতে চেপে ধরে ।
ঠাকুরানী ডাকেন শোন রে ললি দুধখানা দে না জলদী ওদের ,
দেখিস না তুই কত ঢের লগণ , প্রাপ্য যে ওরা খাঁটি দুধের ।
দু'হাতে দু' দুধেরবাটি নিয়ে চলিছে ললি ... ওদের ঘরে ,
কেদারা দু'খানি শূন্য ফেলে, আছে ওরা ওদেরকে চেপে ধরে ।
ছে ছে রাম রাম ... আমার ললাটে কেন এই শুধু মিলে ?
ঠাকুরানী তুমি এ'ধারে এসো কিবা গড়াও দুধ কলা খিলে ।
কেন রে ললি কি হয়েছে ? এখানে এসেই আমায় বল না ,
কিবা বলতে চাস তুই, মনের জটল এখানে এসে খোল না ।
ললি কহে ঠাকুরানী ছে ছে ভগবান ভগবান ফুরে গেছে বেলা ,
ঠাকুরানী কহেন অট্টহাসিতে বুঝেছি রে, সে তো লীলা খেলা ।
এখন আসি দেশের কথায় , চলছে দেশ জটলা উস্ট্র পিঠে ,
জনগণ করলে জঙ্গিবাদ , সরকার হত্যা করলেও হয় সে মিঠে ।
জনগণ চায় ন্যায্য দাবী , তবু ওঠে সুর জঙ্গিবাদ ... ,
সরকার চায় বাকশাল কায়েম , জনগণ মেরে মেটায় সাধ ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।