বেনামী কাব্য
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
আজ আমার বাসন্তীর মনটা নাকি খুব খারাপ ,
শুনেই মনটা দুমড়ে গেলো আমার ... ।
মনের মাঝে নেমে আসলো একটা জমাট কালো অন্ধকার ।
অথচ কিছুক্ষণ আগেই মনটা এমন ফুরফুরে ছিল
যেন নোতুন বিয়ে করে ঘরে ফিরছি ।
মানুষের মনটা আসলে এমন কেন ... আজও বুঝলাম না ।
অথচ গতকাল রাতেই সেকি বন্ধনে গলা ধরে বললাম
" তুমি কাছে থাকলেই আমি গোটা বিশ্বকে খুব কাছে পাই " ।
অথচ আজ দুনিয়াটা কেমন যেন এতিম এতিম লাগছে ।
আমার সব কিছু নিথর লাগছে ...
সোজা বেরিয়ে পড়লাম নাসা'র দিকে ...
দ্বারে পৌঁছতেই একজন মাননীয় বিজ্ঞানীর সাথে দেখা ।
জিজ্ঞেস করলাম ... আচ্ছা বিজ্ঞানী সাব ..."জীবন বড়"
নাকি আপনাদের সৃষ্টি মঙ্গল গ্রহ ?
বিজ্ঞানী সহজেই বলে ফেললেন ... কেন ... জীবন বড় ।
আমি আমার জীবনের অর্ধেকটা দিয়ে আপনাদের ওই
মঙ্গলের এক কাঠা জমিন কিনতে চাই ... ।
বিজ্ঞানী যেন চোখে সরষের ফুল দেখতে লাগলো ...
আমাকে পাল্টে প্রশ্ন করলো ... কেমনে কি ?
মনে মনে বলতে লাগলেম বোকা কি গাছে ধরে নাকি ।
ফসফস করে বলে দিলেম ... এই ধরুন আমার
দু'টি হাত আছে একটা বেচে দিবো ... এমন করেই
একটা ঠ্যাঙ একটা কিডনি একটা চোখ যা যা আছে
জোড়া জোড়া একটা করে দিয়ে দিবো ।
যদি চান দুইটা নাকের রন্ধ্রের ভিতর একটা রন্ধ্রও দিবো ।
বিনিময়ে মঙ্গলে এক কাঠা জমিন চাই ।
কি করবেন সে জমিন ?
বললেম দোকান দিবো না , চিন্তা করবেন না ।
আমার বাড়ি নওগাঁ , নোট নোয়াখালী ।
আমি আমার বাসন্তীকে জমিনটা উপহার দিতে চাই ।
আমারে পাগল বলে বিজ্ঞানী খুব তাড়াতাড়ি ছটকে পড়লো ।
নিজের কপালে ডান পা উপরে তুলে একটা লাথি দিলেম ।
কপালকে বললেম " তোর প্রেম এই জগতের কেউ বুঝবে না ।
ওই অদৃশ্য বিধাতা ছাড়া কেউ তোর প্রেম বুঝবে না ।
খামাখা খালি কান্দস ... চুপ থাক ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।