দুস্তুর পারাপার
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
দুর্গম পথ দুস্তুর পারাপার তপন হেরিবার জাগে সাধ ,
আঁধারে মরিছি নিকুঞ্জবন কণ্টকে মিটেনা যে আহলাদ ।
টানিয়ে লয় পড়নের বসন লজ্জাবতীর তির্যক কাঁটা ,
ছাড়িয়া নিলে বসন খানি পাই যে সে বসন ছেঁড়াফাটা ।
যত ভাবি আমি বেলা আছে অনেক বেলা তো হে নাই ,
এক আনন দূরে যতটা দেখি, দশানন দূরে ততটা নাই ।
নয়নে হেরি ক্রমে ঝাপসা , কর্ণে আসে শিয়ালের হাঁক ,
বনের নিবাসী উঠিছে জাগি, দিনেতে ছিল যারা নির্বাক ।
সর-সরাত, ধপ-ধপাস চতুর্দিকে বুনো জাগরণী আওয়াজ ,
পুরো শরীর শিহরে উঠিছে নিস্তার নাহি বুঝি আজ ।
এখনো রহিছে বহুপথ বাঁকি , রহিছে অতল সাগর ,
হৃদপিণ্ডের সব শুকে যায় ডরে ,যতই ভাবি নও নাগর ।
মেঘে ঢাকিছে পুরো অম্বর ক্ষণে ক্ষণে ওঠে তার গর্জন ,
হেরিতে পাই আমারে মারিবার প্রকৃতির যেন আয়োজন ।
ভয়ে কাঁপে বুক করে ধুকধুক আঁধারে খাই সহসা ঝাপটা ,
ঝড়ের বেগেতে বৃক্ষের ডালে চোখেমুখে খাই পাপ্টা ।
হারায়েছি পথ কালো বিভীষিকায় মরি এই কোন ভুলে ?
গিয়েছে ভাসি তরণী পারাপার উছলিয়া ওঠে ঢেউ কূলে ।
করিতে পারি কিবা, নিরুপায় মম হারিয়াছি যে ভাষা ,
ছাড়িয়া দিয়াছি এই জগতে বেঁচে থাকিবার আশা ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।