সাধ ছিল কবিতা লেখার
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
জীবনে একটা কবিতা লিখার সাধ ছিল অনেক বড়
এ ভাগ্যলিপিতে আর হয়ে ওঠেনি, রয়ে গেলাম জড় ।
কবিরা কেমন যেন, সর্বদা ভূতের মতো ফিসফিস করে ,
কি যেন বলে প্রকাশ্যে গোপনে রাখে মাথা নীচে উপরে ।
আমার দ্বারা ও'ভাব হবেও না তায় কাব্য লেখাও হবেনা ,
ও'সব পাগল ছাগল ভাবাবেগ আমার দ্বারা সম্ভব না ।
পথ চলার ধরণ যেন আদি পেশা ওই ফকিরের মতো ,
কাঁধে রাখে লম্বা থলে, পকেটে কলম পায়ে ছেঁড়া জুতো ।
মাথার চুল, দাড়ি আর গোঁফের ছিরিতে চোখে লাগে ঘোর ,
চোখ মুখের চাহনি দেখে মনে হয় পুরাই যেন গাঁজাখোর ।
এ জনমে ও'ভাব আমার দ্বারা হবেও না ,কবিতাও হবেনা ,
যে আশা ছিল এই মনে, তার দুঃখ আপাতত এই ভবে না ।
এখন নতুন এক সাধ জেগেছে মনে ... প্রেম করার ,
যার কাছে বলি এ কথা , উপদেশ দেয় সে মরার ।
কারণ জানতে চাইতেই বলে ... প্রেম মানে নাকি মরা ,
প্রেম মানে হুদা সংলাপ, ভরা যৌবনে নাকি কামের খরা ।
কথাটা শুনেই মাথাটা চক্কর খেলো , এ যেন মনের কথা ,
সে যদি এর ভুক্তভোগী না হয় কেমনে বুঝলো এ ব্যথা ?
উপদেশ দাতা উপদেশ দেয় , আসলে নিজেই ধরাশায়ী ,
মানুষের মতো আর কেউ নয়, বাদুড় কেন হল স্তন্যপায়ী ।
আসলে মানুষ জাত'টা বাদুড়ের মতো নাড়ে চাড়ে ,
যে পথে খায় , সে পথেই ওরা মল ছাড়তে পারে ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।