কাঙ্গাল
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

নিজেরে ছাঁকা তুলসীপত্র ভাবলেই বুঝি সাধু হওয়া যায় ,
যদিও মুখোশটা থুবড়ে থাকে বীভৎসে অগোচরে অন্তরায় ।
মাথাটা তৈলাক্ত বালহীন থাকলেই বুঝি পণ্ডিত বনে যায় ,
শকুনের প্রেতাত্মাটা কথার বোলেই বুঝি পবিত্রতা পায় ।
বঙ্গমাতার সন্তান কিছু এভাবেই বোল ছাড়ে গগণসম ,
আপন কর্মের সাথে আপনার আত্মা যা পুরোপুরি অসম ।
যুগে যুগে আমি হেরিলাম শুধু বোল ছাড়া বঙ্গপ্রাণীর মুখে ,
কাজের কাজ উলঙ্গ সাজ , হীনতার সন্ধি মিলে যার বুকে ।
আপন ঠিকানা যার ত্রিমোহনায় , শিকারের খাদ্য ভোজী ,
তবু ওই প্রাণীগুলো নিজেরে ধরার সভ্য ভাবে সোজাসুজি ।
যেখানে পৌঁছেছে সভ্যতা , পায়নি যার এতোটুকু ছায়া ,
সেখানে কিভাবে বোল ছাড়ে, এতোটুকু নেই কি হায়াকায়া ?
যে সভ্যতার নামগন্ধ ওই প্রাণীগুলোর মিলেনি একঝলক ,
সেখানে কেমনে নিজেরে ভাবে ওই পথের খাঁটি সাধক ?
যার বালিশের কোণা থেকে হামেশা'ই ছারপোকা দৌড়ায় ,
যার নোংরামির গন্ধে ধাপ্পা লাগে সভ্যতার নাক শিরায় ...,,
সেখানে কিভাবে ওইসব বোল ছাড়ে , নেই কি চক্ষুলজ্জা ?
যদিও অকর্মাপ্রাণী, কি লাভ তব দেখায়ে ওই হাতের কবজা ।

শুধু কি কথার বোলেই স্বর্গমর্ত্য সাজে ?
তবে ছিল না দরকার হাত পা ক্ষয় করা কাজে ।
বুঝলো ধরার সবাই , শুধু বুঝলো না এই বাঙ্গাল ... ,
তাই যুগে যুগে থেকে গেলো সহায়হীন নিতান্তই কাঙ্গাল ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026