পুঁজিবাদী দিবস
- মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
আজকাল দিবস গুলো।
পুঁজিবাদীদের বিরাট বাজার।
বাজার তৈরি করতে তারা--
বাহানা করে হাজার।।
শীতের জুতাও গরমে ফ্যাশন "
এমন ই দেখা যায় পত্রিকার পাতাতে।
একজন নারীকে করবে ব্যবহার।
পণ্য বিক্রয় করবে হাজার।
দিবস গুলো তো এখন আর দিবস নয়।
নতুন দিবসে নতুন রংয়ের শাড়ি বিক্রি হয়
তার সাথে থাকবে যা হবে এক রং তারই।
মেচিং ফ্যাশন বলে যাকে,
আজকাল কার আমরা ,
এখন নই বাঙ্গাল,
নই কাঙ্গাল ,
আমরাও ফ্যাশন প্রিয় হয়েছি।
এসব করতে যারা প্রনোদনা যোগায়।
তারা হল বাজার গভেষক।
মানুষকে পণ্যের দিকে ঠেলতে ঠেলতে
মানবিকতা ভুলে গেছে এরা।
এরা পচা মাছকেও রোদে শুকিয়ে,
শুটকি বলে বিক্রি করতে পারে বাজারে।
আর সেই শুটকি খেলে ,
হবে নানান উপকার।
এটা খেলে আপনি পাবেন অধিক প্রোটিন।
এই বলেও ক্রেতাকে প্রনোদিত করে
গড়তে পারবে সেই শুটকির বাজার ।
এটাই হল বাজারজাতকরন।
এটাই ক্রেতা আকর্ষনের ধারা ।
দিবস গুলো আজকাল ।
সেই ধারাতেই চলে।
বার বার চলে ইভেন্ট তৈরীর ফন্দি
জনগনকে করে সেই ফিকিরে বন্দি।
আর বিক্রি করে যা আছে।
দিবস তো নয়।
এক একটা বাজার তৈরির কারখানা ।
সেই বাজারে পুঁজিবাদীরা দেয় হানা।
বিক্রয় করে লাভবান হয় ব্যবসায়ি।
বৃদ্ধি করে কৃত্তিম চাহিদা ।
বিক্রি কতে যা উপযোগী।
পকেট ফাঁকা করে ,
মাথায় হাত দেয় ভুক্তভোগি ।
দিবসের নানান বাহার।
বারছে দেখো চাহিদার পাহাড়।
উপযোগ তো কমবে না।
যোগান তো আছে বাজারে।
গরীব আরো গরীব হল ,
এই প্রতিযোগিতার বাজারে।
তারা শুধু উপযোগ সৃষ্টি করে।
সেই উপযোগ পূরন করে।
সুখ এলোনা মধ্যবিত্তদের ঘরে।
সুখ কি এতোই সহজ?
গ্রাম্য একটা প্রবাদ আছে
আসল ঘরে মশারি নাই।
ঢেকি ঘরে দেয় চাঁন্দা।
এত কিছু হারিয়েও
বুজলনা খোদার বান্দা।
কি হারালো?
কি পেলো?
হিসাব নাই।
অপরের কথায় মোই নেচে যাই
নেচে নেচে কোমর বাকাই।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 4টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।