স্নীগ্ধতা
- মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন

সকালে খোলা ছাদের কোণায়।
দাড়িয়ে ছিলে একায় ।
কোঁয়াশা ঝড়ছিল খোপায় ।
প্রকৃতি ও বুঝি শান্তি নিচ্ছিল
তোমার গভীর স্নীগ্ধতায়।
তোমার স্নীগ্ধ ছোয়ায় ।।
প্রেমময় এক মূহুর্ত ছিল।।
আজ সকালটাতে ।


এমন সময় পূর্বে ছিল কি?
শীতের সকাল তো অন্য কোথাও ছিল।
এই সকালের মত স্নীগ্ধ ছিল কি?


কোয়াশা ঝড়া সকাল।
তোমার একটা সকাল।
আমার শ্রেষ্ঠ সকাল।
তোমার ছোয়ায় মুগ্ধ সকাল।


কোয়াশা রা কি কানাকানি করছিল?
কিছু বলছিল কি তারা ?
চুপিসারে তোমার কানে।
কি বলছিল আকাশঁ?
তুমি এত স্নীগ্ধতা কোথায় পেলে?
এই কথা বলছিল কি?


এই সকলকে তুমি যা দিলে
কোন কবি কি পারবে দিতে তা?
কোন কল্পনা কি দেখেছে তা।
এই আকাশঁকে'সকালকে।
কোয়াশাঁদেরকে যে স্নীগ্ধতা দিলে
তা কি কেও পাবে দিতে??


তাইতো সূর্যি মামা।
দেখছিল তোমায় কোয়াশার আড়াল থেকে।
সামনে আসতে তার লজ্জা হচ্ছিল।
হয়তো বা তার হিংসে হচ্ছে।
তোমার স্নীগ্ধতা দেখে।


শুভ সকাল জানাল সেও।
কোয়াশাঁর আড়ালে থেকেই।
সামনে আসতে তার বড্ড ভয়।
কি যেনো কি হয় ।।


চারদিক স্নীগ্ধ হয়েছে আজ।
শুধু তোমার ছোয়ায়।


রাত জাগা প্রকৃতি।
স্নীগ্ধ এই সকাল।
সবাই মুগ্ধ তোমাকে পেয়ে।


সেই সাইবেরিয়ান কবিও দেখেছে।
যখন সে চোখ খোলেছে।
গভীর ঘুম শেষে।


সেই কবিও মুগ্ধ হয়েছে।
বলেছে সেও শুভ সকাল।
তোমার রুপে মুগ্ধ কৃষ্ণাঙ্গ যুবক।
মরুভূমির রাখাল বালক।


সকালের পিচ ঢালা রাস্তা।
তার ওপরে যারা হেটেছে এতকাল।
তারা সবাই মুগ্ধ এই সকাল দেখে।
তোমার ছোয়ায় স্নীগ্ধ এই সকাল।।


তোমার মাঝে কি আছে?
কি নেই অন্য কারোর মাঝে?
তুমি কে এই সকালে ছাদে দাড়িয়ে?
হাত দুটো আছ বাড়িয়ে।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।