প্রসঙ্গ - অভাব
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট

জন্মের পরেই অভাবের দরুন যে শিশু দিলো চিৎকার ,
মা জননী বক্ষ উদোম করে দুগ্ধ দিয়েছিল মুখে তার ।
মা জননী বুঝিল তার শিশুর উদরের প্রকট অভাব ,
মাতার কাছে জোর আবদার প্রত্যেক শিশুরই স্বভাব ।
এমনই করে তিলে তিলে শিশু যবে হয় জোয়ান ছেলে ,
কতটুক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে রাখে সে দীপ জ্বেলে ?
যে দীপের আলোয় আলোকিত হয় সমাজ তথা দেশ ,
কতটুক প্রজ্বলিত হয় সে দেশের পরিবার পরিবেশ ?
কেউ দীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শিক্ষা বিক্রি করে ,
বসিয়া বসিয়া পেট চালাবার সাহেবি পথ আঁকড়ে ধরে ।
যাহার সে শিক্ষা হয়নি অর্জন করা বজ্জাতি খাসলতে ,
দিনে বসে থাকে ঘরের কোণে , চুরি করে রাতে রাতে ।
কারোবা আবার অল্প শিক্ষা কাজে না লাগাতে পেরে ,
কাজ করে চলে মাটিতে মিশে হস্ত পা মাটিতে গেঁড়ে ।
জীবনের প্রয়োজনে সবাই ব্যস্ত স্ব স্ব কাজেকর্মে ,
মজবুত হতে পারেনি তায় সবাই সবার স্ব স্ব ধর্মে ।
একদিকে যেমন কম প্রয়োজনে মানুষের দীর্ঘশ্বাস ,
অপরদিকে আকাশঠেকা সম্পদ তরে করে হা-হুতাশ ।
ধরিত্রীর মানুষগুলির পেছনে যেন লেগেই থাকে অভাব ,
অভাবের কারণ বিকৃত সাধন , বদলায়ে ফেলে স্বভাব ।
ভঙ্গুর চরিত্রে বেঁচে থাকে মানুষ, বেঁচে রয় যুগে যুগে ,
চরিত্রবান আর হতে পারেনা, ধেয়ে আসা কোন সুযোগে ।
এমন তো হবার কথা ছিল না ... ,
মানুষ হয়ে জন্ম লভিয়া মানুষের স্থান কেন পেলো না ?
সে যে একটাই কারণ... অভাব ...
অভাব মানুষকে দিয়েছে শুধু শ্বাপদের ওই নিকৃষ্ট স্বভাব ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026