আশায় গুঁড়েবালি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
বক্ষ জুড়িয়া আশা পাতি মুই ... কচলায়ে দু'পাণ ,
ভূপতি মোরে জগতের সুখ সকলি করিছে দান ।
সোনার হরিণী পেয়ে যাবো ভাবি গড়ি মনেতে প্রাসাদ ,
দ্বিধা দ্বন্দ্ব ভর করি হায় মনেতে লাগায় বিরহ সংঘাত ।
তবু গড়ে চলি নির্দ্বিধাতে ভুলি সব অবহেলা ,
এক তলার উপর দু'তলা গড়ি কাটে মোর সারাবেলা ।
স্বর্ণ ফিরোজ যাহা কিছু আছে ভূ-গহ্বর ভূগোলক মাঝে ,
মন-সম্পত্তিতে সাজাই প্রাসাদ প্রহরে প্রহর সকাল সাঁঝে ।
গোটা ধরা মুই যাচাই করি অধিক কোমল গালিচা এনে ,
সারাবেলা মুই পরিপাট রাখি চার কোণা তার টেনে টেনে ।
চার দেওয়ালটা ওয়ালপেপার দিয়ে ঢাকিছি নিখুঁত ভাবে ,
হেরিয়া হরিণী এক পলকে স্বপ্নের মোহনাতে হারাবে ।
সে আশায় গুড়েবালি ...,
হরিণী মোর আসে নাতো হায় মুখে লাগিল চুনকালি ।
এতো এতো মুই গড়িলাম হায় অযুত নিযুত আশে ,
হরিণী মোর কোথা চলে গেলো এই অবেলাতে এসে ।
শুধুই কি ছিল তার মিথ্যে প্রেমের অভিনয় সংলাপ ?
মোর যত প্রণয় আরতি সবই হল যে বিষণ্ণ প্রলাপ ।
এ প্রাণ মোর যতই করিল প্রেমেতে নির্ভর ,
নয়নের জলে ভেসে গেলো মোর ততই এ বুক অধর ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।